অর্পিতার LIC-র প্রিমিয়াম ৫০ হাজার টাকা, কোন অ্যাকাউন্ট থেকে আসত টাকা? উৎস জানতে ইডির নজরে এবার বিমা সংস্থা
অর্পিতার LIC-র প্রিমিয়াম ৫০ হাজার টাকা, কোন অ্যাকাউন্ট থেকে আসত টাকা? উৎস জানতে ইডির নজরে এবার বিমা সংস্থা
টাকা কার এই প্রশ্নের উত্তর এখনো বের করে উঠতে পারেনি ইডি। এরই মধ্যে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ৩১ টি জীবন বিমার প্রিমিয়ামের টাকার পরিমান দেখে চমকে উঠেছে তাঁরা। বছরে ৫০ হাজার টাকা এলআইসি প্রিমায়াম দিতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সেই টাকার উৎস কী কোন অ্যাকাউন্ট থেকে আসত সেই টাকা তা জানত এবার এলআইসি আধিকারীকদের জেরা করতে চলেছে ইডি।

৫০ হাজার টাকার প্রিমিয়াম
সম্পত্তির হিসেবের কোনো কুলকিনারা পাচ্ছেন না ইডি অফিসাররা। অর্পিতার জীবনবিমার খতিয়ান দেখে চমক উঠেছেন তাঁরা। ৩১টি জীবন বিমান বা এলআইসি পলিসি রয়েছে অর্পিতার। তার জন্য বছরে ৫০ হাজার টাকার প্রিমিয়াম দিতেন তিনি। এই ৩১ টি এলআইসি পলিসির প্রতিটির নমিনি কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৭১ বছরের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নমিনি করা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে ইডি আধিকারীকদের। তাহলে কি কালো টাকা সাদা করার জন্যই এই বিমাগুলি করেছিলেন অপা।

উৎস জানতে LIC আধিকারীকদের জেরা
সূত্রের খবর অর্পিতার এই বিপুল পরিমান জীবন বিমা পলিসির টাকা আসত একাধিক অ্যাকাউন্ট েথকে। সেই অ্যাকাউন্টগুলি কী তা জানত এবার এলআইসি আধিকারিকদের জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি। কারণ তদন্তকারীদের অনুমান অর্পিতার যে ৫০ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সেই ৫০ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেই এই বিপুল পরিমান টাকা আসত। ইডির আধিকারীকদের অনুমান কালো টাকা সাদা করতেই এই এলআইসি পলিসি গুলি তৈরি করা হয়েছিল।

অর্পিতাকে চিনতে অস্বীকার
শুক্রবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ক আদালতে পেশ করার আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছিল। তাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে চিনতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেছিলেন অর্পিতাকে চিনি না। মাঝে মধ্যে আসতেন যেমন সবাই আসে। নাকতলার পুজোয় একবার দেখেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই দাবি একেবারে চমকে দেয়ার মত ছিল। অথচ দুজনের নামে বিপুল সম্পত্তি। অর্পিতার এলআইসির নমিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নাম মাত্র দেখায় এত কিছু কীভাবে সম্ভব। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মিথ্যে বলছেন তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল সেই দিনই।

টাকা কার
অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমান টাকা উদ্ধার হয়েছে। ৫০ কোটি টাকা পেয়েছে ইডি। এছাড়া পার্থ-অর্পিতার অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। মোট ৫৮ কোটি টাকা প্রচুর সোনা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু অর্পিতা মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন এই টাকা তার নয়। তাঁর অজান্তে এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে এই টাকা রাখা হয়েছে তার ফ্ল্যাটে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন এই টাকা তার নয়। তাহলে টাকা কার? তার উৎস্য এখনো বের করতে পারেনি ইডি।












Click it and Unblock the Notifications