পঞ্চায়েত ভোটে বুথে মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের
পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ কয়েকটি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন এই নির্বাচনে বুথের ভিতর কেবলমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার এবং অবজার্ভাররা একমাত্র মোবাইল নিয়ে
পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ কয়েকটি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন এই নির্বাচনে বুথের ভিতর কেবলমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার এবং অবজার্ভাররা (পর্যবেক্ষক) একমাত্র মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন। এমনই নির্দেশ এসেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এটা স্পষ্ট যে বুথের ভিতর উপস্থিত পোলিং অফিসার, ও রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টরা কিছুতেই মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। নিজেদের মোবাইল তাঁদের বুথের বাইরে জমা দিতে হবে।

কমিশন সূত্রের খবর, প্রিসাইডিং অফিসাররাই একমাত্র মোবাইল ব্য়বহার করতে পারবেন। তার কারণ, এসএমএস নির্ভর এক প্রযুক্তিগত পদ্ধতির মাধ্যমে তাঁদের বুথের পরিস্থিতি জানাতে হবে।এই পদ্ধতিটি 'জেমস' নামে পরিচিত। ভোটপর্ব যদি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভিবক ভাবে হয় , তাহলেও তা জানাতে হবে পাশাপাশি বুথ ঘিরে হিংসা ছড়ালেও তা এসএমএস কোডের মাধ্যমে জানাতে হবে। উল্লেখ্য, সুষ্ঠুভাবে ভোট পর্ব পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই এই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, কমিশনের এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে বিরোধীরা নানা অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, যদি তৃণমূলের পোলিং এজেন্টরা মোবাইল নিয়ে ঢোকেনও তাঁদের আটকাবে কে? প্রশাসন কি আদৌ এই নির্দেশ কড়াভাবে পালন করতে সক্ষম হবে ? গোটা বিষয়টির সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য কমিশনকে সক্রিয়া ভূমিকা প্রয়োজন বলেও জানায় বিরোধীরা। প্রসঙ্গত, ভোট নিরাপত্কতায় মিশন চাইলে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনাতেও প্রস্তুত রাজ্য। অন্যদিকে, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটকর্মীদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে রাজ্য কোয়ার্ডিনেশন কমিটি। নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকেই প্রা. রোজই চিঠি পৌঁছচ্ছে নির্বাচন কমিশনের দফতরে। সব মিলিয়ে আজ পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে হাইকোর্টের শুনানির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে , নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত সমস্ত পক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications