Cyclone Mocha: ৭০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া, রবিবার থেকেই বদলে যাবে আবহাওয়া
এখনও অবয়ব মেলেনি। আবয়ব তৈরির প্রস্তুতি চলছে কেবল। মাঝ সাগরে তারই তোরজোর শুরু হয়ে গিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে যখন কৌতুহলের শেষ নেই তখন আলিপুর আবহাওয়া দফতর ঠিক কি বলছে জেনে নিন।
৬ই মে শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এটাই মোখার উৎপত্তির প্রথম ধাপ। তারপরে ৭ই মে রবিবার ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। সোমবার ৮ই মে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে উত্তর অভিমুখে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোবে সেটি। মঙ্গলবার ৯ই মে মধ্য বঙ্গোপসাগরে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিনতষ অর্থাৎ অবয়ব পাবে মোখা।

তার পরেই স্পষ্ট হবে এর গতিপথ সুস্পষ্ট হবে। ঘূর্ণিঝড় কোন অভিমুখে যাবে? নিম্নচাপ ঘনীভূত হলেই আবহাওয়া দপ্তর স্পষ্ট ভাবে জানাবে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই জানানো হয়েছে। যদিও প্রাথমিক ভাবে আইএমডি জানিয়ে িদয়েছে ওড়িশা এবং অন্ধ্র উপকূলের দিকে এটি যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে।
এর প্রভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। রবিবার ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে এই দুই দ্বীপপুঞ্জ এলাকায়। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া ৫০ কিলোমিটার গতিবেগ থাকবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। সোমবার সেই ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত হবে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস। সতর্কতা পর্যটকও মৎস্যজীবীদের। এই দ্বীপপুঞ্জ সংলগ্ন সমুদ্রে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে রয়েছেন তাদের রবিবার বিকেলের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে পরামর্শ আবহাওয়াবিদদের। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই সমুদ্র এলাকাতেও মৎস্যজীবীদের প্রবেশ নিষেধ বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।

৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ঝড়ো হওয়া বইতে পারে। দেশের পরিষেবা এবং সুবুদ্রতিরবর্তী বিনোদনমূলক পর্যটন সম্পর্কিত ক্রিয়া-কলাপ বন্ধ রাখার পরামর্শ। এদিকে উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। দক্ষিণবঙ্গে আজ বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। দক্ষিণবঙ্গে পশ্চিমের ও উপকূলের জেলা ছাড়া বাকি কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত থাকবে না।
মোখা আসছে বলে যে আতঙ্কের প্রহর গুণতে শুরু করেছেন রাজ্যবাসী। সেটা ততটা আতঙ্কের হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে প্রভাব পড়লেও রাজ্যের বাকি অংশে তেমন প্রভাব পড়বে না। উল্টে তাপমাত্রা শনিবার থেকে বাড়তে শুরু করবে। বাঁকুড়া পুরুলিয়া পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠতে পারে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস।












Click it and Unblock the Notifications