ওমিক্রনে নজরদারি, জেলা-স্তরের করোনা নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাজ্যকে নির্দেশ কেন্দ্রের
ওমিক্রন হানায় করোনার গতিপ্রকৃতি নিয়ে তিনটি রাজ্যকে বিশেষ নির্দেশ দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে জানানে হয়েছে, তাদের বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে আটটি জেলার প্রতি।
ওমিক্রন হানায় করোনার গতিপ্রকৃতি নিয়ে তিনটি রাজ্যকে বিশেষ নির্দেশ দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে জানানে হয়েছে, তাদের বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে আটটি জেলার প্রতি। কারণ ওই আটটি জেলায় ১০ শতাংশেরও বেশি করোনা সংক্রমণের হার রয়েছে। কেন্দ্র সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে নতুন আক্রান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলাভিত্তিক ব্যবস্থা-সহ পরিস্থিতির উপর কঠোর নজরদারি চালাতে বলেছে।

রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে একটি চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, কেরালা, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, পুদুচেরি, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ এবং নাগাল্যান্ডের ১৯টি জেলায় পাঁচ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে সংক্রমণের হার রিপোর্ট করেছে বিগত দুই সপ্তাহ। গত দুই সপ্তাহে মিজোরাম, কেরালা এবং সিকিমের আটটি জেলায় করোনার সংক্রমের হার ১০ শতাংশের বেশি।
কেন্দ্রের নির্দেশ এই ২৭টি জেলাকে খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা দরকার। স্বাস্থ্যসচিব বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য নতুন করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলাস্তরের ব্যবস্থা-সহ পরিস্থিতির উপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখা অপরিহার্য। কোনও জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইতিবাচকতার হার বৃদ্ধি হচ্ছে। তা নিয়ন্ত্রণে নিবিড় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তিনি বলেন, কৌশলগত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রাতের কারফিউ, দূরত্ব বিধি নিশ্চিত করা, ধর্মসভায় নিষেধাজ্ঞা, সামাজিক, রাজনৈতিক, খেলাধূলা নিয়ন্ত্রণ, বিনোদন, অ্যাকাডেমিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, উৎসব, বিবাহ এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা শেষকৃত্য ইত্যাদিতে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা হ্রাস করার কথা বলেছেন তিনি।
এর পাশাপাশি পরীক্ষা বাড়াতে হবে এবং নজরদারি চালাতে হবে। র্যা ম্পিং আপ টেস্টিং এবং সক্রিয় কেস অনুসন্ধান, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা এবং গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, দ্রুত অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে এবং আরটিপিসিআর পরীক্ষা, প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা করে নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা করতে হবে করোনার নতুন সংক্রমণকে।
কেন্দ্রের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সব জায়গায় এবং সর্বদা কোভিড-উপযুক্ত আচরণ এ বিধি মেনে চলতে হবে। কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে সমস্ত নিয়ম এবং প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। তিনি বলেন, সম্প্রদায়ের কাছে পর্যাপ্ত অগ্রিম তথ্য, কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রক কর্তৃক জারি করা বিধি ও নিষেধ বাধ্যতামূলক করা জরুরি। নির্দেশিকাগুলি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। এবং তা নিয়মিত পর্যালোচনা করাও জরুরি বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থসচিব রাজেশ ভূষণ। উল্লেখ্য, দেশে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ওমিক্রনের হানায় সতর্ক কেন্দ্র এবার করোনা-প্বণ জেলাগুলিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাল।












Click it and Unblock the Notifications