১০০ কোম্পানিরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে হবে ভোট! টাফ ফাইট বাংলার এই চার কেন্দ্রেই
১০০ কোম্পানিরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে হবে ভোট! টাফ ফাইট বাংলার এই চার কেন্দ্রেই
রাত পোহালেই উপনির্বাচন রাজ্যে। ভোট হবে খড়দহ (Kharda), গোসাবা (Gosaba), শান্তিপুর (Shantipur), দিনহাটা (Dinhata) কেন্দ্রে। উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই চার কেন্দ্রকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। বাংলাতে উৎসব চলাকালীনই চলে আসে কেন্দ্রীয় বাহিনী। একাধিক স্পর্শকাতর এলাকা কমিশনের নজরে। ফলে সেই সমস্ত এলাকাতে বিশেষ নজর কমিশনের। আর সবদিক খতিয়ে দেখে চার বিধানসভা কেন্দ্রেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নিদেশ কমিশনের।

সমস্ত বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী
বাংলায় ভোটের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। আর সেখানে দাঁড়িয়ে গত কয়েকদিনে একাধিকবার উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটা, খগদহ সহ একাধিক অঞ্চল। ফলে সমস্ত বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। শুধু তাই নয়, ৫০ শতাংশ বুথে ওয়েব কাস্টিং চালাবে নির্বাচন কমিশন। এই তালিকাতে একাধিক স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, আরও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। রাজ্য পুলিশকেও চূড়ান্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।

মোট ১০৭ কোম্পানি বাহিনী
গত বিধানসভা নির্বাচনে সবথেকে বেশি বাহিনী মতায়েন করে কমিশন। প্রায় এক হাজার কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এরপরেও একাধিক জায়গাতে অশান্তির খবর সামনে আসে। ঘটে রক্তপাতও। আর সেদিকে থেকে শিক্ষা নিয়েই সদ্য শেষ হওয়া ভবানীপুর উপনির্বাচনেও নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে চলে নির্বাচন। চার কেন্দ্রের নির্বাচনে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না কমিশন। নজিরবিহীন ব্যবস্থা থাকছে। দিনহাটাতে থাকছে ২৪ কোম্পানি, শান্তিপুরে ১৯, খড়দহ ১৭, গোসাবাতে থাকছে ২০ কোম্পানি বাহিনী। যদিও আগে থেকেই শান্তিপুরে ছয় কোম্পানি এবং বাকি তিন কেন্দ্রে ৭ কোম্পানি করে বাহিনী থাকছে।

নজরে বুথ বিন্যাস
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পোলিং প্রেমিসেসে একটি বুথ থাকলে হাফ সেকশন মানে চার জওয়ান থাকবে।
একটি পোলিং প্রেমিসেস দুই বা চারটি বুথ থাকলে এক সেকশন মানে আটজন জওয়ান থাকবে।
একটি পোলিং প্রেমিসেসে পাঁচটি থেকে আটটি বুথ থাকলে দুই সেকশন মানে ১৬ জন জওয়ান থাকবেন।
একটি পোলিং বুথে প্রেমিসেস নয় বা তার বেশি বুথ থাকলে তিন সেকশন মানে ২৪ জন জওয়ান থাকবে। ফলে কড়া ব্যবস্থা থাকছে কমিশনের তরফে। উল্লেখ্য পোলিং স্টেশন
দিনহাটায় ৪১৭টি,
শান্তিপুর ৩৫৯টি,
খড়দহ ৩৩৫,
গোসবা ৩৩০ টি পোলিং স্টেশন রয়েছে।

টাফ ফাইট!
নির্বাচন হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায়। এর মধ্যে দিনহাটা ও শান্তিপুর দুটি বিজেপির জেতা আসন। আর খড়দহ ও গোসাবা হল তৃণমূলের জেতা আসন। বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ জেতা দুটি আসন ধরে রাখা যাবে কি না। এমনিতেই বিধানসভায় তাদের শক্তিক্ষয় হয়ে চলেছে। এরপর যদি আরও দুটি আসনে তাদের হারতে হয়, তবে তা ভিন্ন বার্তা যাবে রাজ্য-রাজনীতিতে। ২০২৪-এর আগেও এই ফল অস্বস্তি বাড়াবে বিজেপির। তবে বিজেপির দাবি, তাঁরা চার কেন্দেই ভালো ফল করবে। অন্যদিকে তৃণমূলের মতে, একবার বিজেপিকে বাংলার মানুষ জবাব দিয়েছে। ভবানীপুরেও উত্তর পেয়েছে। চার কেন্দ্রের ভোটেও বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়বে বলে আশা শাসকদলের।












Click it and Unblock the Notifications