হিংসা সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ! লোকসভা ভোটের প্রচারে বাংলায় আসার আগে আসন সংখ্যা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী PM মোদী
বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তার আগে দলীয় কর্মীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, নির্বাচনের সময় হিংসা সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিতে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে বলেছেন তিনি।
রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের সময় হিংসা সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি এবারের নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপির আসন বৃদ্ধি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। প্রসঙ্গত ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলা থেকে ৪২ টির মধ্যে ১৮ টি আসনে জয় পেয়েছিল। এর আগে ২০১৪-র নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপির আসন সংখ্যা ছিল ২।

মধ্যে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি আক্রমণাত্মক প্রচারে নামলেও লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়। ২৯৪টির মধ্যে ২০০ আসনের টার্গেট থাকলেও তারা ৭৭-এ গিয়ে থেমে যায়। তবে বিজেপির প্রথমবারের জন্য বাম-কংগ্রেসকে সরিয়ে বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসে।
এই বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন রাজ্যে বিজেপির টার্গেট হল ৩৫ টি আসন। অন্যদিকে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর যিনি ২০২১-এ রাজ্যে তৃণমূলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন, তিনি বলেছেন, ২০২৪-এ রাজ্য থেকে বিজেপির ফল ২০১৯-এর থেকে ভাল হবে।
ভোট শতাংশের নিরিখে ২০১৪-তে রাজ্যে বিজেপি পেয়েছিল ১৬.৮৪ শতাংশ ভোট। ২০১৯-এ তা বেড়ে হয় ৪০.২৫ শতাংশ। যা রাজ্যের শাসক তৃণমূলের থেকে তিন শতাংশের মতো কম। ২০১৯-এ তৃণমূল পেয়েছিল ৪৩.২৮ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, ২০২১-এ বিজেপির ভোট শতাংশ কিছুটা কমে হয় ৩৮ শতাংশের মতো।
লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রচার নিয়ে মেগা পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার আগে প্রধানমন্ত্রী মোদী হুগলির আরামবাগ, নদিয়ার কৃষ্ণনগর, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত এবং শিলিগুড়িতে সভা করেছেন। আর গত ১৬ মার্চ নির্বাচন ঘোষণার করে বৃহস্পতিবার তিনি সভা করতে চলেছেন কোচবিহারে। তার আগে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে বসিরহাট ও কৃষ্ণনগরের দুই মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং তাঁদেরকে উৎসাহিত করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications