মমতার দল পাহাড়ে ভিত গড়তে ব্যস্ত, জঙ্গলমহলে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙল বিজেপি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল যখন পাহাড় এবং উত্তরবঙ্গ নিয়ে ব্যস্ত তখন জঙ্গলমহলের ফাঁকা জমিতে ভিত মজবুত করার রাস্তায় হাঁটল বিজেপি। পুজোর মুখে তৃণমূল ভেঙে বিজেপি শক্তি বাড়াল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল যখন পাহাড় এবং উত্তরবঙ্গ নিয়ে ব্যস্ত তখন জঙ্গলমহলের ফাঁকা জমিতে ভিত মজবুত করার রাস্তায় হাঁটল বঙ্গ বিজেপি। পুজোর মুখে তৃণমূল ভেঙে বিজেপি শক্তি বাড়াল। ২০২১-কে পাখির চোখ করে দুই দল সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছে। তার আগে দু-দলই চাইছে সাংগঠনিক শক্তিকে বাড়িয়ে নিতে।

তৃণমূল যখন জঙ্গলমহল পুনরুদ্ধারের চেষ্টায়
করোনার আবহে তৃণমূল গোটা বাংলাজুড়েই বিজেপিকে ভেঙেছে। বিজেপিও পাল্টা দিয়েছে তৃণমূলকে। তৃণমূল বিশেষ করে নজর দিয়েছে পাহাড় তথা উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলমহলকে। উভয় ক্ষেত্রেই ২০১৯-এ তৃণমূলকে খর্ব করে আধিপত্য বিস্তার করতে সম্ভবপর হয়েছিল বিজেপি। এবার তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে তৃণমূল।

জঙ্গলমহলকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি
বিজেপি চাইছে তৃণমূলের পুনরুদ্ধারের চেষ্টা রুখে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে। কোনওভাবেই হাতছাড়া করা যাবে না তৃণমূলের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গলমহল ও উত্তরবঙ্গ। বিজেপি মনে করছে উত্তরবঙ্গে তৃণমূল সেভাবে দাঁত ফোটাতে পারবে না। তাই জঙ্গলমহলকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বেশি।

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ৫০ পরিবার
গেরুয়া শিবিরের দাবি, জঙ্গলমহলে উন্নয়ন থমকে গিয়েছে। সেই কারণেই মানুষ এইঅ সরকারের প্রতি তিতিবিরক্ত। মানুষ চাইছে এই সরকারের পতন ঘটাতে। তাই প্রায়ই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ভিড় বাড়ছে। এদিন ঝাড়গ্রামের হদহদিতে ৫০টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়। তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন জেলা বিজেপি সম্পাদক জয়ন্ত রায়।

তৃণমূল-বিক্ষুব্ধদের ভিড় বিজেপিতে
গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়ে দলবদলকারীরা বলেন, তৃণমূলের দুর্নীতির জবাব দিতেই তাঁরা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। ঝাড়গ্রামের ওই অঞ্চলে তৃণমূল তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে। আরও খারাপ পরিস্থিতি হবে। গেরুয়া শিবির ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে তৃণমূল-বিক্ষুব্ধদের ভিড়ে।












Click it and Unblock the Notifications