বঙ্গ বিজেপিতে অনাস্থার কালো মেঘ! পঞ্চায়েতের আগে ক্ষমতা খর্ব খোদ সংগঠন সম্পাদকের
এক জনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে আওয়াজ উঠেছিল বঙ্গ বিজেপিকে বাঁচাতে সুব্রতকে চাই। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতায় ভর করে ২০১৯-এ ১৮ আসন পেয়েছিল বিজেপি।
বঙ্গ বিজেপির সংগঠনে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীর। তাঁর বিরুদ্ধে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ হয়েছে। তাঁকে সরাতে পোস্টার পড়েছে। তারপরও তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। তবে তাঁর ডানা ছাঁটা হয়েছে আগেও। আবারও ক্ষমতা খর্ব হল অমিতাভ চক্রবর্তীর।

ডানা ছাঁটা হল সংগঠনের দায়িত্বে থাকা রাজ্য সম্পাদকের
বর্তমান বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের উপর যে কেন্দের ততটা ভরসা নেই, তা বারবার বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল বঙ্গ বিজেপি। ফের ডানা ছাঁটা হল সংগঠনের দায়িত্বে থাকা খোদ সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীর।

জেলা সভাপতিদের অভাব-অভিযোগ শুনবেন জোন ইনচার্জরা
রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। তিনি ডানা ছাঁটলেন বঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সংগঠন অমিতাভ চক্রবর্তীর। এতদিন জেলা সভাপতিদের সাংগঠনিক অবভা-অভিযোগ শুনতেন অমিতাভ চক্রবর্তী। কিন্তু এখন থেকে আর তিনি নন, জেলা সভাপতিদের অভাব-অভিযোগ শুনবেন জোন ইনচার্জরা।

অমিতাভ চক্রবর্তীকে নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনাস্থা
জেলা সভাপতিদের এই মর্মে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে, এবার থেকে অমিতাভের বদলে অভিযোগ জানাতে হবে নির্দিষ্ট জোনের ইনচার্জদের। বিজেপি সূত্রে এই খবর আসার পর রাজনৈতিক মহলের জল্পনা, এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে দলের অন্দরের বিক্ষোভ মেটাতেই। অমিতাভ চক্রবর্তীকে নিয়ে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, তা এড়াতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিজেপির অন্দরে ঝড়ের পূর্বাভাস বইতে শুরু করেছে
বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্য বিজেপিতে ঝড় উঠেছে অমিতাভ চক্রবর্তীকে নিয়ে। জেলায় জেলায় পোস্টার দিয়ে প্রাক্তন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সংগঠন সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দলে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়েছিল। জেলায় জেলায় এই ধরনের পোস্টার নজরে এসেছিল। বিজেপির অন্দরে যে ঝড় বইছে তার আভাসও মিলেছিল।

বঙ্গ বিজেপিকে বাঁচাতে সুব্রতকে চাই, পোস্টায় পড়েছিল
এবার নতুন পর্যবেক্ষক দলের দায়িত্ব হাতে নিয়েই সেই বিদ্রোহ শক্ত হাতে দমন করার চেষ্টা করছেন। এক জনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে আওয়াজ উঠেছিল বঙ্গ বিজেপিকে বাঁচাতে সুব্রতকে চাই। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতায় ভর করে ২০১৯-এ ১৮ আসন পেয়েছিল বিজেপি। সেই নিরিখে্ ১২১টি বিধানসভা আসনে এগিয়েছিল তারা। কিন্তু একুশের বিধানসভায় মাত্র ৭৭টি আসন জুটেছে তাদের। তারপর যত নির্বাচন হয়েছে, ততই পিছিয়ে পড়েছে বিজেপি। হারের পর হার জুটেছে। এখন পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে নেতৃত্ব বদলের আওয়াজ উঠেছে।

বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সংগঠনের ডানা ছাঁটা হল দুবার
অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন দলেরই একাংশ। তারপর সতীশ ধন্দকে যুগ্ম সম্পাদক করে এনে অমিতাভের ডানা ছাঁটা হয়েছিল। আবারও তাঁর ক্ষমতা খর্ব করা হল। এবার জেলা সভাপতিদের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জেলা ইনচার্জদের দায়িত্ব দেওয়া হল।












Click it and Unblock the Notifications