• search

প্রশাসনের সচেতনতা-প্রচারই সার, গুজবের প্রভাবে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেই চলেছে জগদ্দলে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    উত্তর ২৪ পরগনা, ২৫ জানুয়ারি : পুলিশ-প্রশাসন সচেতনা-প্রচার চালালেও রাজ্যে গুজবের প্রভাব অব্যাহত। এবার অকুস্থল উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল। ছেলেধরা সন্দেহে ফের গণপ্রহারের শিকার এক যুবক। রাস্তায় ফেলে সন্দেহভাজন যুবককে বেধড়ক পেটাল উত্তেজিত জনতা। আহত যুবককে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে জগদ্দলের আতপুর ফাঁড়ির পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় তিনজন সন্দেহভাজন ঘোরাফেরা করছিল। মঙ্গলবাররাতে পাহার দেওয়ার সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক ঠেকে। পাহারাদাররা ধাওয়া করে তিনজনের মধ্যে একজনকে ধরে ফেলে। বাকি দু'জন পালিয়ে যায়। ধৃত যুবকের কথাবার্তায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তারপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে শুরু হয় উত্তম-মধ্যম ধোলাই। গণপ্রহারে মাথা ফেটে যায় সন্দেহভাজন যুবকের। আতপুর ফাঁড়ির পুলিশ এসে তাকে গণধোলাইয়ের হাত থেকে উদ্ধার করে।

    প্রশাসনের সচেতনতা-প্রচারই সার, গুজবের প্রভাবে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেই চলেছে জগদ্দলে

    আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। সুস্থ হলে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসবাদ করবে পুলিশ। এদিকে জগদ্দলে গত সাতদিনে গণপিটুনিতে দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন। এই ঘটনায় উদ্বেগ ছড়াচ্ছে প্রশাসনের অন্দরেও। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের পর দিন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পুলিশ শুধু সচেতনতামূলক প্রচারেই জোর দিয়েছে। কিন্তু সাধারণের আতঙ্ক দূর করার জন্য যথাযথ কোনও ভূমিকা নেওয়া হয়নি।

    English summary
    Awareness campaign of administration is fertilized. Under the influence of rumours have been beaten in Jagaddal.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more