সিপিআই টানা ১০টি নির্বাচনে জেতার পর প্রথম পরিবর্তন আসে ২০১৪-য়, একনজরে মেদিনীপুর
প্রথম পাঁচ দফায় ২৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। এবার ২০১৯-এর লোকসভা যুদ্ধে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণের অপেক্ষা। এই দফায় বাংলায় আটটি কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে। একঝলকে মেদিনীপুরের ভোট ইতিহাস।
প্রথম পাঁচ দফায় ২৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। এবার ২০১৯-এর লোকসভা যুদ্ধে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণের অপেক্ষা। এই দফায় বাংলায় আটটি কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে। একঝলকে তমলুক ভোট ইতিহাস।তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে ভোট হবে এই দফায়। তার আগে ফিরে দেখা মেদিনীপুরের ভোট-ইতিহাস।

মেদিনীপুর
বাংলার ৪২ লোকসভার কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪ নম্বর লোকসভা কেন্দ্র হল এই ঘাটাল। এই কেন্দ্রটি প্রথমে কংগ্রেসের আধিপত্য থাকলেও বাম আমলে টানা ১০টি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল সিপিআই। ২০১৪ সালে প্রথম পরিবর্তন আসে।

কোন কোন বিধানসভা
.মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র হল- এগরা, দাঁতন, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর সদর, খড়গপুর, নায়ারণগড় ও মেদিনীপুর। এই সাতটি কেন্দ্রই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অধীন।

১৯৫২ সাল থেকে ১৯৭১
১৯৫২ সালে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এই কেন্দ্রে কংগ্রেসের আধিপত্য ছিল। ১৯৫২ সালে দুজন সাংসদ নির্বাচিত হন। কংগ্রেসের ভরতলাল টুডু। ও ভারতীয় জনসংঘের দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হন। এরপর ৫৭ সালেও দুজন সাংসদ হন। তাঁরা হলেন কংগ্রেসেরই নরসিংহ মাল্ল উগল সানদা দেব ও সুবোধ হাঁসদা। ৬২ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন গোবিন্দকুমার সিংহু। ৬৭ ও ৬৯ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিল বাংলা কংগ্রেস। সাংসদ হয়েছিলেন যথাক্রমে শচীন্দ্রনাথ মাইতি ও ভিকে কৃষ্ণ মেনন। ৭১ সালে ফের এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী সুবোধ কুমার হাঁসদা বিজয়ী হন।

১৯৭৭ থেকে ২০০৯
১৯৭৭ সালে মেদিনীপুর কেন্দ্রে জয়ী হন ভারতীয় লোকদলের সুধীরকুমার ঘোষাল। ৮০ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত টানা ১০টি নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয় সিপিআই। যথাক্রমে সিপিআইয়ের নারায়ণ চৌবে দুবার, ইন্দ্রজিৎ গুপ্তা পাঁচবার ও প্রবোধ পাণ্ডা একটি উপনির্বাচন-সহ তিনবার বিজয়ী হয়ে সংসদে যান। এরপর পরিবর্তন ঘটে, ২০১৪-য় প্রবোধ পাণ্ডার মতো হেভিওয়েটকে হারিয়ে বিজয়ী হন তৃণমূলের সন্ধ্যা রায়।

২০১৪ সালের ফল
২০১৪-র নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ধ্যা রায় সিপিআইয়ের প্রবোধ পাণ্ডাকে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৬৬ ভোটে পরাজিত করেন। সন্ধ্যা রায় ভোট পান ৫,৮১,৮৬০টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রবোধ পাণ্ডার প্রাপ্ত ভোট ৩,৯৫,১৯৪। বিজেপির প্রভাকর তিওয়ারি পান ১,৮০,০৭১ ভোট। আর কংগ্রেসের বিমল রাজ পান ৪৮,৯১৪ ভোট।

২০১৯-এ কারা প্রার্থী
তৃণমূল কংগ্রেস এবার সিটিং এমপি সন্ধ্যা রায়কে প্রার্থী করেনি। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে য়োগ দেওয়া হেভিওয়েট মানস ভুঁইয়াকে এবার তৃণমূল প্রার্থী করেছে। বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সিপিআই প্রার্থী করেছে বিপ্লব ভট্টকে। শিবসেনার প্রার্থী অশোক সরকার। কংগ্রেস প্রার্থী করেছে শম্ভুনাথ চট্টোপাধ্যায়কে।












Click it and Unblock the Notifications