West Bengal Recruitment Scam: বছর শেষে তৎপর ইডি! সিবিআই স্ক্যানারে আরও এক মন্ত্রী
West Bengal Recruitment Scam: ১২ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে! এখনও নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পৌঁছে যান ক্যানিং স্ট্রিটের একটি অফিসে।
যেটি কিনা রাজেশ যোশী নামে এক চার্টার্ড অ্যাকাউটেন্টের। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় একযোগে চলছে ম্যারাথন তল্লাশি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ তল্লাশিতে বেশ কিছু সন্দেহজনক নথি উদ্ধার হয়েছে। শুধু তাই নয়, চার্টার্ড অ্যাকাউটেন্টের কাছ থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে ইডির তদন্তকারীরা খোঁজ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

যদিও ইডির তরফে এই বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি তদন্ত অনেকটাই সিবিআই গুঁটিয়ে এনেছে বলে খবর। গত প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
দীর্ঘ এই তল্লাশিতে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ তদন্তে একাধিকজনকে জেরা করা হয়েছে। আর সেই তদন্তে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
শুধু তাই নয়, লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি করে দিয়েছেন কারা? সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্টও সিবিআই তৈরি করে ফেলেছে বলে প্রকাশিত এক বাংলা খবরে দাবি করা হয়েছে। আর সেই রিপোর্টে অবশ্যই নাম রয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।
রয়েছে একাধিক প্রভাবশালী এবং শাসকদলের বেশ কয়েকজন নেতারও নাম। আছে এজেন্ট ও মিডলম্যানদের তালিকাও। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দীর্ঘ এই তল্লাশিতে রাজ্যের এক মন্ত্রীর নামও ওই তালিকায় রয়েছে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।
খবরে দাবি, টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদে অযোগ্যদেরর চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই মন্ত্রীর বড় ভূমিকা আছে। যা খবর, ওই রিপোর্ট খুব শিঘ্রই সিবিআই হাইকোর্টে জমা দেবে। সব কিছু ঠিক থাকলে জানুয়াররি মাসের প্রথম সপ্তাহেই সিবিআই তা জমা দেবে বলেই প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications