বর্ধমান কাণ্ডে আর একটি বড় সাফল্য, এনআইএ-র জালে আমজাদ শেখ

বর্ধমান মডিউলের প্রধান সাজিদকে কিছুদিন আগেই কলকাতার যশোর রোড থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর তারে এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর আমজাদকে সোমবার দুপুরে বীরভূম থেকে গ্রেফতার করা হয়। আমজাদকে নিয়ে খাগড়াগড় কাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল আট। এর মধ্যে এনআইএ গ্রেফতার করেছে দু'জনকে।
বীরভূমের কীর্ণাহারে থাকত আমজাদ। আমজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, খাগড়াগড়ে জঙ্গিদের বিস্ফোরক ও অন্যান্য রাসায়নিক সরবরাহ করত সে। এনআইএ আধিকারিকদের তথ্য অনুযায়ী, কলকাতার একটি মেডিক্যাল ফার্মে কাজ করত আমজাদ। এই ফার্ম জন্মনিয়ন্ত্রক পণ্য তৈরি করত। এই ফার্মে আমজাদের যোগ দেওয়ার একটাই উদ্দেশ্য ছিল যাতে এখান থেকে বিভিন্ন পাইক্রিক অ্যাসিড সহ নান প্রকার নিয়ন্ত্রিত অ্যাসিড শক্তিশালী বিস্ফোরক তৈরির জন্য এখান থেকে জঙ্গিদের কাছে পৌছে দিতে পারে।
আরও পড়ুন : বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড সাজিদ গ্রেফতার কলকাতা থেকে
এনআইএ-র তরফে প্রথমে এই আমজাদের মাথার দাম পাঁচ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ১০ লক্ষ টাকা করা হয়। ২ অক্টোবর খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর আমজাদের কলকাতার বাড়িতে তল্লাসি চালায় এনআইএ-র একটি দল। সেখান থেকে আইডি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক কেনার রসিদ উদ্ধার করে তদন্তকারি অফিসাররা।
এনআইএ-র তদন্তে উঠে এসেছে যে, ২ অক্টোবর বর্ধমান বিস্ফোরণের পরই এ রাজ্য ছেড়ে পালায় আমজাদ। সেখান থেকে ৮ অক্টোবর দিল্লিতে পৌছয় সে। সেখান থেকে উত্তরপ্রদেশে বসতি জেলায় এক পুলিশকর্মীর আশ্রয়ে কয়েকদিন কাটায় আমজাদ ওরফে কাজল। এরপর ফের পশ্চিমবঙ্গেই ফিরে আসে সে। আমজাদের জন্য জাল বিছিয়ে বীরভূমে এনআইএ-র একটি দল পড়ে ছিল। সোমবার দুপুরে সুযোগ বুঝে আমজাদকে জালে ধরে ফেলে এনআইএ।












Click it and Unblock the Notifications