Abhishek Banerjee: গণতন্ত্রের উপর হামলা, তোপ দেগে রাতেই রাজ্যপালের কাছে অভিষেক
Abhishek Banerjee: ক্ষমতার জন্য আরও হিংসাত্মক এবং মরিয়া হয়ে উঠছে। প্রকাশ্য দিবালোকে গণতন্ত্রের উপর হামলা হল। ঠিক এভাবেই দিল্লির ঘটনা নিয়ে মোদী সরকারকে আক্রমণ শানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দ্বারস্থ হচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে তৃণমূলের প্রতিনিধি (AITMC) দলের গ্রেফতারের ঘটনায় ক্ষুব্ধ শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপরেই রাজ্যপালের কাছে সময় চান অভিষেকের নেতৃত্বের ১১ জনের একটি দল। সেই সময় মিলেছে বলে খবর। ঘটনার পরেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড (Abhishek Banerjee) ।

সোমবারের ঘটনার সঙ্গে দিল্লির কৃষি ভবনের ঘটনা তুলে ধরেন। অভিষেক (Abhishek Banerjee) লেখেন, গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে দিল্লির কৃষি ভবনের ভিতরে গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা হয়েছিল। সোমবার প্রকাশ্য দিবালকে হামলা হল। গণতন্ত্রের উপর হামলা হল।
বাংলা-বিরোধী জমিদারেরা ক্ষমতার জন্য প্রতিদিন আরও হিংসাত্বক হয়ে উঠছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তবে বিজেপি তৈরি থাকুন, বাংলা এর জবাব দেবে বলেও বার্তা তাঁর।
এদিন অভিষেক ছাড়াও ১১ জনে রয়েছেন শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, মালা রায়, শশী পাঁজা, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ব্রাত্য বসু, অসিমা পাত্র এবং কুণাল ঘোষ।
বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে ভোটের মুখে ভূপতিনগর সহ একাধিক মামলায় সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই অভিযোগ তুলে আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনের সময় চায় তৃণমূল। সেই মতো বিকেল চারটের সময় সময় দেওয়া হয়।
In Oct 2023, DEMOCRACY was muzzled INSIDE Krishi Bhavan. Today, it was attacked OUTSIDE in broad daylight!
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 8, 2024
With each passing day, the BANGLA BIRODHI ZAMINDARS are growing VIOLENT & DESPERATE in their bid for power.
BENGAL WILL RESPOND FITTINGLY!@BJP4India GIRD YOUR LOINS! https://t.co/MuhELtA6iT
প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেরেক ও'ব্রায়েন, মহম্মদ নাদিমুল হক, দোলা সেন, সাকেত গোখলে, সাগরিকা ঘোষ, বিবেক গুপ্ত, অর্পিতা ঘোষ, শান্তনু সেন, আবিররঞ্জন বিশ্বাস এবং সুদীপ রাহা। দীর্ঘ বৈঠক শেষে কমিশনের বাইরে ২৪ ঘণ্টার ধর্নায় বসার ঘোষণা করা হয়। এরপরেই বাইরের রাস্তায় তৃণমূল সাংসদ-নেতারা বসে পড়েন।
যদিও এরপরেই পদক্ষেপ করে দিল্লি পুলিশ। তৃণমূলের সাংসদ ও প্রাক্তন সাংসদের টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। দোলা সেন, শান্তনু সেনদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা মোদী-অমিত শাহ হায় হায় স্লোগান দেন। এই ঘটনার পরেই কলকাতায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সময় জরুরি ভিত্তিতে চাওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications