Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

তৃণমূল ২৫০ আসন জিতলেই এই কাজটা করবেন অভিষেক! ডিজিটাল যোদ্ধাদের দিলেন বড় নির্দেশ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আড়াইশো আসনের মাইলফলক স্পর্শ করবে। আজ এমনই আশা প্রকাশ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল কবে পরের জিম সেলফি পোস্ট করবেন? অভিষেক বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস আড়াইশোটি আসন জয়ের পর।

কলকাতায় আয়োজিত আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা কনক্লেভে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বলেন, এই প্রথম তৃণমূল কংগ্রেস এত বড় মাপের কোনও সোশ্যাল মিডিয়া ডিজিটাল কনক্লেভ আয়োজন করল। বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। গত অক্টোবর মাসে 'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা' কর্মসূচি শুরু করা হয়েছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেইসব ডিজিটাল সৈনিকদের সামনে নিয়ে আসা, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরেন এবং যখন বিজেপি টাকার জোরে অপপ্রচার ও ভুয়ো খবর ছড়িয়ে বাংলাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে, তখন তাঁরা একটি ডিজিটাল ব্যারিকেড গড়ে তুলে রাজ্যকে রক্ষা করেন। মাত্র তিন মাসের মধ্যে এই উদ্যোগ অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এমনকী গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীও আমাকে ফোন করে তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া কর্মীদের এই ভালো কাজের স্বীকৃতি দিয়েছেন।

অভিষেকের কথায়, বিজেপির মতো আমাদের বিপুল আর্থিক ক্ষমতা নেই। বিজেপির মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সি বা নির্বাচন কমিশনের মদত আমাদের নেই। রাজ্য সরকার যে ভালো কাজগুলো করছে, মিডিয়া সেগুলো তুলে ধরে না। এমনকী বিচারব্যবস্থার একাংশও আমাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের পাশে রয়েছেন অগণিত ডিজিটাল যোদ্ধা, যারা দলের হয়ে অনলাইনে নিরলস প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ১০০ দিন আমাদের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া চলবে না। আমরা যদি সামান্যতম ফাঁক রাখি, তবে বিজেপি মানুষকে বিভ্রান্ত করবে।

অভিষেক বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি যা কিছু পোস্ট করে, তার সত্যতা যাচাই করা এবং পাল্টা জবাব দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। ২০১৯ সালে বিজেপি অনলাইনে প্রচুর ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়েছিল, এমনকী বাংলাদেশের ভিডিওকেও বাংলার বলে চালানো হয়েছিল। আজ হাজার হাজার ডিজিটাল যোদ্ধা তৈরি হওয়ায় ওরা আর সহজে এসব করতে পারছে না। সস্তা প্রচারের আশায় ফেসবুকে কোনও কন্টেন্ট পোস্ট করবেন না। কিছু নেতা শুধু হাততালি পাওয়ার জন্য দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেন। লাইক আর শেয়ারের লোভে পড়ে কোনও কিছু পোস্ট করবেন না। আপনাদের যা শেয়ার করতে হবে তা হল সত্য, যা যুক্তি এবং তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

অভিষেক আরও বলেন, তৃণমূলের বিধায়করা যেসব বিধানসভা কেন্দ্রে আছেন, সেখানে বিজেপি চার্জশিট প্রকাশ করে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। আপনাদের বুঝতে হবে এবং মানুষকে বুঝিয়ে বলতে হবে- আমরা যখন বলি কেন্দ্রীয় সরকার ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে, তার মানে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ প্রায় ৬৮০ কোটি টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে প্রায় ৮০,০০০ বুথ রয়েছে, অর্থাৎ কেন্দ্র প্রতিটি বুথ পিছু প্রায় ২.৫ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। মানুষকে এই বাস্তবটা জানানো দরকার। বিজেপি যদি ১২ জন সাংসদের বদলে মাত্র ৪-৫ জন সাংসদ পেত, তবে বাংলায় SIR সমস্যা তৈরি হতো না এবং মানুষকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হতো না। ডিজিটাল যোদ্ধাদের বলছি, আপনারা রাজ্য সরকারের প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে প্রচার চালিয়ে যান। এলাকা ধরে ধরে কীভাবে মানুষ উপকৃত হয়েছে, সেই তথ্য তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দিন। ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিজেপি নেতাদের সেই সমস্ত আলটপকা মন্তব্য খুঁজে বের করুন যা তাঁদের বাংলা-বিরোধী মানসিকতাকে প্রকাশ করে এবং সেগুলো জনসমক্ষে আনুন। মানুষকে জানাতে হবে- সাধারণ মানুষের ভোটে জেতা বিজেপির বিধায়ক ও সাংসদরাই দিল্লির প্রভুদের কাছে গিয়ে আবেদন করছে, যেন বাংলার মানুষের উন্নয়নের টাকা আটকে দেওয়া হয়। ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনী তিন ভাগে বিভক্ত-আর্মি, নৌসেনা ও বায়ুসেনা। ঠিক তেমনই, তৃণমূল কংগ্রেসকে যদি তিন ভাগে ভাগ করা হয়-বুথ স্তরের কর্মীরা আমাদের আর্মি, ডিজিটাল লড়াই যারা করেন তারা আমাদের বায়ুসেনা, আর আমরা সংসদ সদস্যরা হলাম নৌসেনা। এই তিনটি অংশ যদি একই উদ্দেশ্যে, একই দিকে এগোয়, তাহলে বিরোধীরা টিকতে পারবে না। আমাদের মধ্যে কোনও মতভেদ থাকা চলবে না। যাঁরা ভালো কাজ করছেন, তাঁদের অবশ্যই স্বীকৃতি দেওয়া হবে। বিজেপির কু-চক্রান্ত আপনাদের প্রকাশ করতেই হবে।

আইপ্যাকের কর্ণধারের বাসভবন ও আইপ্যাক দফতরে ইডি হানা নিয়ে অভিষেক বলেন, ইডি দিয়ে বিরোধীদের চুপ করাতে চায়, আর নির্বাচন কমিশন দিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে চায়। একদিকে ইডি ও ইসি, অন্যদিকে মা-মাটি-মানুষ। আপনারাই মুখ্যমন্ত্রীর শক্তি। কিছুদিন আগে আইপ্যাকের অফিসে হানা দেওয়া হয়েছে। কয়লা কেলেঙ্কারিতে তিন বছর কোনও সমন হয়নি। ভোটের আগে হঠাৎ অভিযান। আইপ্যাকের তিনজন ডিরেক্টর আছে। তাহলে শুধু বাংলার ডিরেক্টরকেই কেন টার্গেট করা হলো? অন্য অফিসে কেন রেড হয়নি? তারা রেড করতে আসেনি, ডেটা চুরি করতে এসেছিল। আগের ভোটে আমার ফোনে পেগাসাস বসানো হয়েছিল-তবুও তারা হেরেছিল। বিজেপি নেতারা ক্যামেরার সামনে টাকা নিলেও ইডি কি চোখ বন্ধ রাখে না? এই তথ্য ঠিকভাবে মানুষকে বলতে হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+