• search

মহিষাদলে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, আক্রান্ত প্রতিবাদী ছাত্র

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পূর্ব মেদিনীপুর, ১৭ এপ্রিল : টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইভটিজিংয়ের শিকার হল দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। মদ্যপ ইভটিজারদের হাত থেকে তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হল এক ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের বাসুলিয়া গ্রামে। ছাত্রীটির পরিবারের পক্ষ থেকে মহিষাদল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    রবিবার রাতে যখন টিউশন থেকে ফিরছিল ওই ছাত্রী জনা আটেক যুবক তার রাস্তা আটকে দাঁড়ায়। নানাভাবে উত্যক্ত করতে থাকে। সেই অসহায় অবস্থা থেকে তাকে বাঁচাতে যায় তারই স্কুলের এক সহপাঠী। মদ্যপ যুবকদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় তাকেও। এরপর দুই স্কুল পড়ুয়ার চিৎকারে ছুটে আসেন স্থানীয় লোকজন। তখনই পালিয়ে যায় ইভটিজাররা।

    মহিষাদলে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, আক্রান্ত প্রতিবাদী ছাত্র

    মহিষাদলের গোপালনগরের বাসিন্দা ওই ছাত্রী। বাসুলিয়া তেমাথার মোড় থেকে তার পিছু নেয় কয়েকজন মদ্যপ যুবক। ছাত্রীটি পালানোর চেষ্টা করলে, তাকে ধান জমিতে ফেলে শ্লীলতাহানি করা হয়। সেই সময় একই রাস্তা দিয়ে টিউশন থেকে ফিরছিল তন্ময় মণ্ডল নামে ছাত্রীটির পাড়ারই এক ছাত্র। সে ছাত্রীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়। কিন্তু সংখ্যায় বেশি থাকায় ওই ছাত্রকেও আক্রান্ত হতে হয় মদ্যপ যুবকদের হাতে।

    দুই স্কুল পড়ুয়াকে ভর্তি করা হয়েছে বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বারবার ছাত্রীরা আক্রান্ত হচ্ছে মহিষাদলে। মদ্যপ যুবকদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছ। প্রতিবাদ করলে পাল্টা মারধর জোটে। পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে। মহিষাদল পুলিশ সূত্র জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে।

    English summary
    A girl was molested, student was attacked to protest

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more