কিংবদন্তি লিয়েন্ডারের সঙ্গে নিজেকে জুড়তে পেরে উচ্ছ্বসিত সমীরের মুখে কোন কথা?
কিংবদন্তি লিয়েন্ডারের সঙ্গে নিজেকে জুড়তে পেরে উচ্ছ্বসিত সমীরের মুখে কোন কথা?
ভারতীয় কিংবদন্তি রমানাথন কৃষ্ণান, রমেশ কৃষ্ণান ও লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে নিজের নাম জুড়তে পেরে উচ্ছ্বসিত হয়েছে ১৭ বছরের সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়। আমেরিকা নিবাসী যে প্রবাসী বাঙালি জুনিয়র উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছন। কারণ এই খেতাবের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আরও অনেক কিংবদন্তিদের নাম। তা নিয়েই মুখ খুলেছেন সমীর।

সমীরের কীর্তি
গত ৬ বছরের মধ্যে প্রথম মার্কিন নাগরিক হিসেবে জুনিয়র উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়। ১২ বছরের মধ্যে ইউকি ভামরির পর প্রথম ভারতীয় হিসেবে অল ইংল্যান্ড টেনিস ক্লাবে সেরার শিরোপা হাসিল করেছে ১৭ বছরের প্রবাসী বাঙালি। ধরে ফেলেছেন ভারতীয় কিংবদন্তি রমানাথন কৃষ্ণান, রমেশ কৃষ্ণান ও লিয়েন্ডার পেজকে।
ছবি সৌজন্যে সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইনস্টাগ্রাম

ভারতীয় কিংনদন্তিদের ধরলেন সমীর
১৯৫৪ সালে প্রথমবার জুনিয়র উইম্বলডন খেতাবের স্বাদ পেয়েছিল ভারত। গ্রেট রমানাথন কৃষ্ণান ছিলেন ওই সাফল্যের কারিগর। ১৬ বছর পর অর্থাৎ ১৯৭০ সালে একই খেতাব জিতেছিলেন রমানাথন-পুত্র রমেশ কৃষ্ণান। ১৯৯০ সালে জুনিয়র উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ভারতের লিয়েন্ডার পেজ। এছাড়া ১৯৭০ সালের জুনিয়র ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন রমেশ। ১৯৯০ সালের জুনিয়র ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন লিয়েন্ডার পেজ।

কী বললেন সমীর
জুনিয়র উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ভারত থেকে সে যে শুভেচ্ছা ও সমর্থন পেয়েছে, তাতে আপ্লুত হয়েছে সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্য, আমেরিকার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করলেও রক্তে তার ভারতীয় আবেগের স্রোত বইছে। সমীর জানিয়েছে যে তার বাবা-মা ভারতীয়। সেই সূত্রে সে একাধিকবার ভারত ঘুরে গিয়েছে। বিখ্যাত আরকে খান্না টেনিস ক্লাবে খেলার কথাও জানিয়েছে সমীর।
ছবি সৌজন্যে সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইনস্টাগ্রাম

কিংবদন্তিদের পাশে নাম
জুনিয়র উইম্বডন চ্যাম্পিয়ন জানিয়েছে, ৫-৬ বছর বয়স থেকে সে টেনিস খেলছে। বাবা কল্যাণ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সপ্তাহান্তে সে টেনিস ক্লাবে গা ঘামাতে শুরু করেছিল বলেও জানিয়েছে ১৭ বছরের উঠতি তারকা। টেনিস ছাড়াও বেসবল এবং ফুটবলও সমীরের পছন্দের ক্রীড়া। কিন্তু সেগুলির মধ্যে টেনিসেই নিজেকে নিয়োজিত করে প্রবাসী বাঙালি। যে ভারতীয় কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে নিজের নাম জুড়তে পেরে উচ্ছ্বসিত। বক্তব্য, আরও অনেক পথ হেঁটে যেকে হবে তাকে।
ছবি সৌজন্যে সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইনস্টাগ্রাম












Click it and Unblock the Notifications