শীলা চট্টোপাধ্যায়ই এখন ঝালদা পুরসভার দায়িত্ব সামলাবেন, নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার
ঝালদা পুরসভা নিয়ে চাপানউতোড় চলছেই। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ওই মামলার শুনানি হয় এদিন। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেও শুনানি হয়েছিল। সেখানে সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দেওয়া হয়। যদিও সিঙ্গেল বেঞ্চে নিয়মমাফিক শুনানিতে আপত্তি ছিল না।
মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানে বিচারপতির নির্দেশ, ঝালদা পুরসভার দায়িত্ব আপাতত শীলা চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া হল। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শীলা। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদেশের মেয়াদও তিনি এই দিন বাড়িয়েছেন।

আদালত ঝালদার মহকুমা শাসকের নোটিশও স্থগিত করেছে। অভিযোগ ছিল শীলা চট্টোপাধ্যায় আর পুরসভার কাউন্সিলর নন। তাকে চেয়ারপার্সনের পদ থেকে অপসারণের জন্য কয়েকজন কাউন্সিলর একটি নোটিশ দিয়েছিলেন। এই নিয়ে আদালতে মামলা পর্যন্ত শুরু হয়৷ এদিকে অচলাবস্থা চলতে থাকে এই মামলা ঘিরে পুরসভায়।
আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে এই অপসারণ পর্বে কিছুটা সময় লাগবে। তাই পুরসভার প্রতিদিনের কাজকর্মের জন্য, আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে শীলা চট্টোপাধ্যায় চেয়ারপার্সন হিসাবে কাজ করবেন।পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ জারি থাকবে। আগামী ৫ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি আছে।
ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান শীলা চট্টোপাধ্যায়। তার অপসারণ চেয়েই জোড়া মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। পাঁচ জন তৃণমূল কাউন্সিলর ও দুই জন কংগ্রেস কাউন্সিলর পৃথকভাবে মামলা দায়ের করেছিলেন। এছাড়াও কংগ্রেস কাউন্সিলর পূর্ণিমা কান্দুও মামলা করেছিলেন। সেই মামলাই বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে উঠেছিল। আস্থা ভোটের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি।
কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ওই নির্দেশ খারিজ করে। এভাবে আদালত আস্থা ভোটের নির্দেশ দিতে পারে না। পুরসভাই এই বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত নেবে। পুরসভা মনে করলে আস্থা ভোট হবে। এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ পুরসভা ঠিক করবে। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications