সরকারি কটেজে আড্ডা দুষ্কৃতী আর মদ্যপদের! শোরগোল 'ডেস্টিনেশন' শুশুনিয়ায়, নিশানায় তৃণমূল
ভ্রমণ পিপাসু মানুষের অন্যতম পছন্দের 'ডেস্টিনেশান' হিসেবেই পরিচিত শুশুনিয়া পাহাড়। জেলা সদর বাঁকুড়া থেকে মাত্র ২২ কিলোমিটার দূরে ৪৪২ মিটার অর্থাৎ ১৪৫০ ফুট উচ্চতার শুশুনিয়া পাহাড়ের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর ঝর্ণার টানে এখানে বছরভর 'পরিযায়ী' পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। আর ওই সব পর্যটকদের পরিষেবা দিতে মাত্র কয়েক বছর আগে সরকারি উদ্যোগে তৈরি হয় দু'টি সুদৃশ্য কটেজ। কিন্তু প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাব আর প্রশাসনিক উদাসীনতায় ওই সব সরকারি সম্পত্তি এখন দুষ্কৃতী ও মদ্যপদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ।
দু'টি কটেজ জুড়েই যত্র তত্র ছড়িয়ে রয়েছে খালি মদের বোতল সহ অন্য সামগ্রী, সঙ্গে চারদিক জুড়ে ঝোপঝাড়ে ভর্তি। এছাড়াও ইতিমধ্যে কেউ বা কারা খুলে নিয়ে গেছে কটেজের দরজাও। প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলেই অব্যবহৃত ওই কটেজগুলি দুষ্কৃতীদের দখলে চলে যায়, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের।

এব্যাপারে শাসক তৃণমূলকেই দায়ী করেছে গেরুয়া শিবির। স্থানীয় বিজেপি নেতা জীবন চক্রবর্তী বলেন, সম্ভবত ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে জেলা পরিষদ ও পূর্ত দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই কটেজ দু'টি তৈরি হয়। বর্তমানে 'নামহীন, গোত্রহীন, বংশহীন' অবস্থায় পড়ে আছে এই কটেজগুলি। অবিলম্বে এই কটেজগুলি সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করেছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা গৌতম বসু বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি উদ্যোগে তৈরি এই বাড়িগুলি পড়ে আছে। বেশ কিছু জিনিস বর্তমানে চুরি হয়ে গেছে। প্রশাসনিক উদ্যোগে ফের সংস্কার করে কাজে লাগানো দরকার বলে তিনি জানান।
বাঁকুড়া জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ অর্চিদা বিদকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কাছ থেকে বিষয়টি তিনি জানলেন। দ্রুততার সঙ্গে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications