কেদারে আটকে বাঁকুড়ার চার পর্যটক! নিরাপদে ফেরানোর আশ্বাস জেলা প্রশাসনের
প্রকৃতির রুদ্ররোষে বিপর্যস্ত দেবভূমি কেদারনাথ। আর ওই কেদারনাথে ভূমিধ্বসে আরও অনেকের সঙ্গে আটকে পড়েছেন বাঁকুড়ার ইন্দাস এলাকার একটি পরিবারের তিন সদস্য-সহ চার জন। 'আটকে' থাকা ওই পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সূত্রের খবর, ইন্দাসের কুশমুড়ি গ্রামের বাসিন্দা, পেশায় ব্যবসায়ী শরৎ চন্দ্র দে স্ত্রী ও সাত বছরের ছেলেকে নিয়ে কেদারনাথে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আরও এক প্রতিবেশীও ছিলেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মঙ্গলবার হরিদ্বার থেকে ট্রেনে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু তার আগেই ঘটে অঘটন। 'দেবভূমি' হরিদ্বারে ভূমি ধ্বসের কারণে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের আরও ৮০ জনের সঙ্গে আটকে পড়েন তাঁরাও।

এই খবর পেয়ে চরম দুশ্চিন্তায় শরৎ চন্দ্র দে-র পরিবারের সদস্যরা। বাবা জগন্নাথ দে বলেন, গত ২৪ জুলাই ছেলে, বৌমা, নাতিরা কেদারনাথ যাওয়ার উদ্দেশ্যে দুন এক্সপ্রেসে চেপে বসে। তার ঠিক দু'দিন পর তারা গন্তব্যে পৌঁছায়। ছেলে ফোনে জানিয়েছে আটকে পড়া সমস্ত পর্যটকদের নিচে নামিয়ে আনার কাজ চলছে। খুব দ্রুত সুস্থ শরীরে ছেলে, বৌমা, নাতি বাড়িতে ফিরে আসবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
অন্য দিকে, বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, কেদারনাথে আটকে পড়া ওই পরিবারের বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানানো হয়েছে। রাজ্যের তরফে অতি দ্রুত সবাইকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে উদ্ধার অভিযানের পঞ্চম দিনে ১৩০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদে বিমানে করে সরানো হয়েছে। তবে আবহাওয়া পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার অভিযানে গতি এসেছে। উত্তরাখণ্ডের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন সচিব বিনোদ কুমার সুমন রবিবার বলেছেন, কেদারনাথ, লিঞ্চোলি, ভীমবালি ও গৌরীকুণ্ডের মতো যাত্রা রুটের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় সাড়ে দশ হাজার তীর্থযাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। যাঁদেরকে হেলিপ্যাডে সরানো হয়েছে, তাঁদের খাবার, জল ও থাকার জায়গায় বন্দোবস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারি আধিকারি।












Click it and Unblock the Notifications