Buddhadeb Bhattacharjee Death: 'অভিভাবকহীন হলাম', বুদ্ধবাবুর মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন দেবলীনা
Buddhadeb Bhattacharjee Death: 'অভিভাবকহীন হলাম', বললেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ প্রাক্তন মন্ত্রী, সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দেবলীনা হেমব্রম (Deblina Hembram) । বৃহস্পতিবার রাতে বাঁকুড়ার রানীবাঁধের বাড়িতে বসে তিনি বলেন, চাষের কাজে বাইরে ছিলাম, খবরটা পেয়েই কাজ ফেলে ফিরে এসেছি।
একই সঙ্গে এদিন তিনি বলেন, বুদ্ধ বাবুর মৃত্যুতে একদিকে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হলো, অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদেরও অনেক ক্ষতি হলো। রাজ্যে শিল্প নেই, কাজ নেই। আর উনি চেয়েছিলেন মানুষের কর্মসংস্থান। তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee Death) মন্ত্রীসভার প্রাক্তন সদস্য ছিলেন দেবলীনা হেমব্রম। দীর্ঘদিন সামনে থেকে তাঁকে দেখেছেন। ফলে একাধিক স্মৃতি রয়েছে তাঁর।

প্রিয় 'কমরেডে'র মৃত্যুর পরেই সেগুলি বারবার স্মৃতিতে আসছে বলে জানান সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির এই সদস্য। আর তা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, '৯৬ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে খুব কাছ থেকে ওনাকে দেখেছি। নিজের মতো করে আমাদের শিখিয়ে নিতেন। পরে যখন চিন সফরে যাই, তার আগেও উনি প্রয়োজনীয় সাহায্য করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। কীভাবে কাজ করতে হবে তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন বলে আবেগপ্রবন হয়ে পড়েন দেবলীনা হেমব্রম।
আবেগ ধরা পড়েছে আরও তৎকালীন বাম সরকারের আরও এক মন্ত্রী বংশগোপাল চৌধুরী (Bansa Gopal Chowdhury)-র বক্তব্যে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকারে শিল্প ও বানিজ্য দফতরের মন্ত্রী ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে একসঙ্গে কাজ করেছেন। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বর্ষীয়ান এই বামনেতা বলেন, বুদ্ধবাবু যে কাজ শুরু করেছিলেন, সেটাই ছিল এই রাজ্যের উন্নতির সঠিক দিশা। যে যাই বলুক না কেন, এই দিশার বাইরে আর কিছু নেই। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসানসোলে একের পর এক শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অবদানের কথা তুলে ধরেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
বলেন, শিল্পনগরী গড়তে বুদ্ধবাবুর অবদান ছিল অপরিসীম। বিশেষ করে ইসকো সম্প্রসারণের সময় অনেক বাধা-বিপত্তি এসেছিল, চরম বাধা এসেছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) পরামর্শে সমস্ত কিছু কাটিয়ে ইসকো সম্প্রসারণ হয়েছিল বলে দাবি বংশগোপাল চৌধুরী।
অন্যদিকে বুদ্ধ ভট্টাচার্যের প্রয়াণের খবর শোনার পরেই ভেঙে পড়েছেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। বৃহস্পতিবারই তিনি জানান, কিছতেই মেনে নিতে পারছি না। বেশ কিছুক্ষণ বসেচ্ছিলাম। উঠতেই পারছিলাম না।












Click it and Unblock the Notifications