পুলিশের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু, এবার আদালতে আত্মসমর্পণ বিজেপি বিধায়কের
বাঁকুড়া পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি (bjp) বিধায়ক চন্দনা বাউরিকে (chandana) ভয় দেখানোর অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। বলেছিলেন, তৃণমূলে (trinamool congress) যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া
বাঁকুড়া পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি (bjp) বিধায়ক চন্দনা বাউরিকে (chandana bauri) ভয় দেখানোর অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। বলেছিলেন, তৃণমূলে (trinamool congress) যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এবার সেই চন্দনা বাউরির আত্মসমর্পণ বাঁকুড়া জেলা আদালতে।

দুবার বিয়ের অভিযোগ
সম্প্রতি চন্দনা বাউড়ির বিরুদ্ধে সংসার ভাঙার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল থানায়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে দুবার বিয়ের অভিযোগো করা হয়। শালতোড়ার বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি নেতা কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পা। চন্দনার জন্য তাঁর স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন রুম্পা। তাঁকে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পাশাপাশি সবসময় তিনি নেশায় ডুবে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন রুম্পা। সেই মামলাতে গ্রেফতারির আশঙ্কা করছিলেন চন্দনা।

আগেই থানায় গিয়েছিলেন চন্দনা
শালতোড়ার বিজেপি নেতা কৃষ্ণ কুণ্ডুর সঙ্গে বিধায়ক চন্দনা বাউরি ঘর ছেড়েছিলেন বলে অভিযোগ। গাড়ির চালক তথা শালতোড়ায় বিজেপির কো-কনভেনর কৃষ্ণকে চন্দনা বাউরি বিয়ে করেন বলেও অভিযোগ। যা নিয়ে একদিকে যেমন বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটি থানায় অভিযোগ করেছিলেন কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পা, অন্যদিকে অভিযোগ করেছিলেন চন্দনা বাউরির স্বামী শ্রাবণ বাউরিও। সেই সময় পুলিশ থানায় সবাইকে ডেকে পাঠায় এবং স্বামী শ্রাবণ বাউরির সঙ্গে বাড়িতে ফিরে যান চন্দনা।

বৃহস্পতিবার জামিনের সম্ভাবনা
রুম্পা কুণ্ডুর অভিযোগের ভিত্তিতে চাপ বাড়ছিল চন্দনা বাউড়ির ওপরে। যার জেরেই এই আত্মসমর্পণ বলেই জানা গিয়েছে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চন্দনা বাউরির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগ জামিন যোগ্য। সেই কারণে বৃহস্পতিবার তাঁরা জামিনের সম্ভাবনা রয়েছে।

মুখোশ খোলার হুঁশিয়ারি কৃষ্ণ কুণ্ডুর
কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পার দাবি, তাঁর স্বামী বারে বারেই বলছে চন্দনাকে ঘরে আনবেন। তাঁর প্রশ্ন চন্দনা যদি ওঁরে ভালবেসেই থাকে, তাহলে তো খোঁজ নিত। অন্যদিকে কৃষ্ণ কুণ্ডু বলেছেন, রাজনীতির স্বার্থে তাঁর এবং চন্দনার মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এর পিছনে রয়েছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এবং ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মুখোশ খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষ্ণ মণ্ডল।
অন্যদিকে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের শালতাড়ার বিধায়ককে বাঁকুড়া পুলিশ হুমকি দিচ্ছে। যাতে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন সেইজন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications