বাঁকুড়ার কংসাবতী জলাধার থেকে জল ছাড়া হল, কতটা উপকার হবে কৃষিকাজে?
গরমে জলস্তর নেমে গিয়েছিল অনেকটাই। তার উপর আগুন ঝরানো গ্রীষ্মে মাঠঘাট ফুটিফাটা। আষাঢ় মাসেও তেমন বৃষ্টির দেখা ছিল না। বাঁকুড়া সহ আশপাশের অঞ্চলে চাষ কীভাবে হবে? তাই নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
এবার নিম্নচাপের বৃষ্টিতে কিছুটা আশার আলো দেখা গিয়েছে৷ জলাধারে জলের পরিমাণও বেড়েছে। এবার কংসাবতী জলাধার থেকে সেচের জন্য জল ছাড়া হল। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মাটির বাঁধ বাঁকুড়ার কংসাবতীর।

শনিবার সকালে জলাধারের রাইট ব্যাঙ্কে প্রায় ৮০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। লেফট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে তিন হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। কংসাবতী সেচ দফতর সূত্রে এই খবর দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে কংসাবতী সেচ দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, মুকুটমণিপুর জলাধারে জলধারণ ক্ষমতা ৪৩৪ ফুট। চলতি বছরে সেভাবে বৃষ্টিপাত হয়নি। আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত জলাধারের জলস্তর সেভাবে বাড়েনি। পরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে থাকে। ২১ আগস্ট পর্যন্ত ৪২১ ফুট পৌঁছায় বাঁধের জলস্তর।
খারিফ ফসলের চাষের জন্য জল প্রয়োজন হয়। সেই হিসেবে খারিফ মরশুমে প্রথম দফায় জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে টানা ২০ দিন জল সরবরাহ করা হবে। না হলে মাঝপথেই তা বন্ধ করা হবে বলে খবর। ফলে বৃষ্টির জলের সঙ্গে জলাধারের জলও এবার পাওয়া যেতে শুরু করেছে। তবে
এদিন জল ছাড়ার পর পরই কংসাবতী নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষকে সতর্ক করা হয়। সেচ দফতরের পক্ষ সতর্ক থাকার আবেদন জানানো হয়েছে।
অন্য দিকে, এই মরশুমে প্রথম বার জল ছাড়া হল। কৃষিকাজে সেচের সুবিধা হবে বলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার চাষিরা জানিয়েছেন। কৃষকরা জানাচ্ছেন, বৃষ্টির উপর নির্ভর করে পূরো জমিতে চাষ করা সম্ভব হয়নি। দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছিল। এবার কংসাবতী জলাধারের জলে বাকি জমিতে চাষের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।












Click it and Unblock the Notifications