পুলিশমন্ত্রীর ভয় নাকি প্রাণ সংশয়! প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের নিরাপত্তা ফেরাচ্ছে পুলিশ
West Bengal Police: মালদহের তৃণমূল (TMC) নেতা দুলাল সরকার খুনের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য পুলিশ প্রশাসন। আসানসোলের প্রভাবশালী তিনজন তৃণমূল নেতাকে ফের পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হল। আর সেই তালিকায় আছেন আসানসোল পৌরনিগমের ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা তৃণমূল রাজ্য কমিটির সদস্য অশোক রুদ্র, পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি বিষ্ণুদেব নোনিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য রামকৃষ্ণ ঘোষ।
আজ বৃহস্পতিবার থেকে এই তিনজন নেতাকে (TMC) ঘিরে রাখবেন বেশ কয়েকজন সশস্ত্র পুলিশ আধিকারিক (West Bengal Police) । শুধুই কি মালদহের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এই তৃণমূল নেতার নিরাপত্তা বাড়ানো হল নাকি কোনও প্রাণসংশয়ের আশঙ্কা আছে পুলিশের কাছে? সে বিষয়ে জেলা পুলিশের তরফে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে পুলিশের এহেন পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, দিন কয়েক আগে মালদহের দাপুটে তৃণমূল নেতা দুলাল সরকারকে একেবারে কাছ থেকে গুলি করে খুন করা হয়। যা নিয়ে একেবারে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনায় একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার করা হচ্ছে। সামনে আসছে শাসকের গোষ্ঠী কোন্দল! যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন ওই তৃণমূল নেতার নিরাপত্তা ছিল তা কেন তুলে নেওয়া হয়েছিল। এমনকি এই নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন।
প্রশাসনিক প্রধান মন্তব্য করেন, পুলিশ সুপারের অপদার্থতার জন্যই এক সহকর্মীকে হারাতে হল। এই ঘটনার পর আসানসোলে আগে যে সমস্ত তৃণমূল নেতার নিরাপত্তা ছিল তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হল। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও রাজ্য পুলিশের এহেন সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলার রাজনীতিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিরোধী দলের নেতারা বলছেন, জেলায় জেলায় শাসকের গোষ্ঠী কোন্দল। আর তাতে মানুষের নিরাপত্তা যায় যাক। তৃণমূল নেতাদের নিরাপত্তা পুলিশকে দিতে হবে, কটাক্ষ বিরোধীদের।












Click it and Unblock the Notifications