ধেয়ে এল ‘বিধ্বংসী’ ঘূর্ণিঝড়, নিমেষে লন্ডভন্ড মাইলের পর মাইল, শুধু ধ্বংসের ছবি
ধেয়ে এল ‘বিধ্বংসী’ ঘূর্ণিঝড়, নিমেষে লন্ডভন্ড মাইলের পর মাইল শুধু ধ্বংসের ছবি
মাত্র কয়েক মিনিট। তার মধ্যেই লন্ডভন্ড হয়ে গেল মাইলের পর মাইল, এক বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল। কোথা থেকে এসে হাজির 'বিধ্বংসী'এক ঘূর্ণিঝড়। সেই ঝড়ের তাণ্ডবে ওলটপালট হয়ে গেল গ্রাম। রবিবার ভোররাতে আচমকা এক ঝড় ধেয়ে আসে কোচবিহারের দিনহাটার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। নিমেষে ধ্বংসলীলা চালিয়ে যায় ঘূর্ণি।

যেদিকে দুচোখ যায়, শুধু ধ্বংসের ছবি
দিনহাটার পেটলা গ্রামের ছবিটা সকাল থেকেই বদলে গিয়েছে। মাইলের পর মাইল শুধু ধ্বমসলীলার ছবি। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে, গাছপালা পড়ে একেবারে লন্ডভন্ড অবস্থা। অনেক মাটির বাড়িও ভেঙে পড়েছে। বিদ্যুৎ নেই, রাস্তা বন্ধ। যেদিকে দুচোখ যায়, শুধু ধ্বংসের ছবি।

রাজ্য সড়কও বন্ধ ঝড়ের তাণ্ডবে
হঠাৎ আসা এই ঝড়ের তাণ্ডব এতটাই ছিল যে, শুধু পাড়ার রাস্তাঘাট নয়, রাজ্য সড়কও বন্ধ হয়ে গিয়েছে সকাল থেকেই চাই যাত্রীরাও আটকে গিয়েছে। দিনহাটা-গোসানিমারির রাজ্য সড়কে যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়েন নিত্য যাত্রীরা। সাইকেল ছাড়া বাকি সমস্ত যানবাহনের গতিরুদ্ধ হয়ে যায়।

গাছপালার সঙ্গে বিদ্যুতের খুঁটি একাকার
রাস্তার উপর, ধানজমির উপর ছিঁড়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের তার। কোথাও আবার গাছপালার সঙ্গে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে, তার জড়িয়ে একেবারে বিপর্যস্ত অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানুষকে দেখা যায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যাতায়াতের রাস্তা পরিষ্কার করতে। তারপর প্রশাসন কাজে নামে।

আচমকা ঝড়ে ঘরবাড়ি ধূলিসাৎ
এলাকাবাসীর দাবি, আচমকা ঝড়ে তাঁদের ঘরবাড়ি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি দ্রুত ত্রাণের বন্দোবস্ত করতে। কিন্তু প্রশাসন কালবিলম্ব করছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অভয় দিয়েছেন, সমস্ত ব্যবস্থা হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত থেকে প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করে দেওয়া হবে।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications