পুজোর ছুটিতে যাঁরা ডুয়ার্সে যাচ্ছেন তাঁদের জন্য বড় খবর, জঙ্গল সাফারি নিয়ে সুখবর শোনাল বনদফতর
পুড়ে গিয়েছে হলং বনবাংলো। তাই গরুমারা জাতীয় উদ্যানে এবার পুজোয় পর্যটনে ধাক্কা আসতে পারে। তাই পর্যটক টানতে এবার নয়া চমক আনতে চলেছে বনদফতর। এবারে গরুমারা জাতিয় উদ্যানে এলিফ্যান্ড সাফারি বা়ড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
করোনার কারণে গত ২ বছর বন্ধ ছিল গরুমারা জাতীয় উদ্যানের এলিফ্যান্ট সাফারি। গতবছর থেকে সেটি শুরু হয়েছে। কিন্তু মাত্র ২ টি হাতিই জঙ্গল সাফারিতে যেত। ফলে পর্যটকরা হতাশ হয়ে ফিরতেন। বুকিং পাওয়া যেত না। এবারে হাতির সংখ্যা বা়ড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে।

অর্থাৎ আগের দুটি হাতির পাশাপাশি আরও ২টি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাতিকে জঙ্গল সাফারির কাজে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তার ফলে পর্যটকদের আর হতাশ হয়ে ফিরতে হবে না। গরুমারা জাতিয় উদ্যানে মোট ২৮ টি হাতি রয়েছে। জঙ্গল পাহারার কাজেই মূলত এই হাতিগুলিকে ব্যবহার করা হয়। ৮০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই জঙ্গল। তার মধ্যেই জুটি হাতি জেনি এবং মাধুরী সাধারণ পর্যটকদের জঙ্গল সাফারিতে নিয়ে যায়।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্পর খুলে যাচ্ছে ডুয়ার্সের সব জঙ্গল। তারপরেই পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়ে যাবে। সামনেই আবার পুজোর মরশুম তার পরেই আবার শীত। একেবারে জমজমাট পর্যটনের মরশুম। চলবে ২০২৫ সালের গরম পর্যন্ত। এবারের পুজো থেকে জঙ্গল সাফারিতে হাতির সংখ্যা বাড়ানোয় পর্যটকদের সবিধা হবে। আগে দুটি হাতিতে মোট ১২ জন পর্যটক জঙ্গল সাফারিতে যেতে পারতেন। এবার থেকে সেই আসন সংখ্যা বেড়ে ২৪ হয়ে যাবে।
বনদফতরের এই সিদ্ধান্তে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। হলং বন বাংলো যদিও খুলছে না পুজোয়। পুরো বাংলোটাই পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। গরুমারা জাতিয় উদ্যানের অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিল এই ডুয়ার্সের। পর্যটকরাও খবরটি শুনে মর্মাহত হয়ে গিয়েছিলেন। বনদফতরের এই সিদ্ধান্তে কিছুটা হলেও হলং বনবাংলোয় থাকার শোক ভুলতে পারবেন পর্যটকরা। পর্যটন ব্যবসায়ীরাও মনে করছেন এতে কিছুটা হলেও পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রতি।












Click it and Unblock the Notifications