অতিবর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, প্লাবনে ডুবেছে ঘরবাড়ি, ত্রাণ শিবিরে বাসিন্দারা
প্রবল বর্ষণে বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গ। লাগাতার বর্ষণের জেলে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব নদীর জলই বেড়ে গিয়েছে। টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা থেকে তরাই ডুয়ার্স। টানা কয়েকদিনের অনবরত বৃষ্টিতে জল বেড়েছে পাহাড়ি নদী রায়ডাকে। জলবাড়ায় রাতের ঘুম উড়েছে এলাকার বাসিন্দাদের।
রায়ডাক নদীর ভাঙ্গনে প্লাবিত তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের বারকোদালি-১ ও বারকোদালি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম লাঙ্গলগ্রাম ও বেকার খাতা এলাকা। জলমগ্ন অবস্থায় রয়েছে প্রায় একাধিক বাড়ি । ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে প্রায় প্রায় ১৫০ পরিবার।

স্থানীয়দের অভিযোগ তিন বছর ধরে ওই এলাকায় রায়ডাক নদীর ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত বিডিও এমনকি সেচ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানানোর পরেও মেলেনি সুরাহা। শুধুমাত্র ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁশের পাইলিং করে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হয়েছে তবুও শেষ রক্ষা হয়নি। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রায়ডাক নদীর বাড়ায় বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকায় গোটা গ্রাম এখন প্লাবিত হয়ে গিয়েছে।
প্রায় ১৫০টি পরিবার ইতিমধ্যে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। গোটা গ্রাম নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে গ্রামবাসীরা। তারা আরো জানান তিনটি ইলেকট্রিকের পোল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে গোটা এলাকা।
এদিকে অতি বর্ষণে কালজানি ব্রিজে ওঠার আগেই এ যেন এক মরণ ফাঁদ। রাস্তা আছে তবে রাস্তা যেন মৃত্যু কুপ।আর এর জেরেই ভোগান্তি কলজানি - নাটাবাড়ি এলাকার মানুষের।ছোটো ছোটো গাড়ি চলাফেরা করলেও চলেনা কোনো বড় গাড়ি।এছাড়া ছোটো গাড়ি চললেও মেলেনা জায়গা।আর তাতেই অসুবিধার সম্মুখীন এলাকাবাসী থেকে শুরু করে যাত্রীদের।
ঠিক এই রাস্তা ভাঙার কারণে সেই রাস্তা দিয়ে চলাচল বন্ধ উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার বাস। যাতে ভোগান্তি নিত্য যাত্রীদের। আর সেই পথে বাস চলাচল না করায় ঘুর পথে পরিষেবা দিতে হচ্ছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার। আর তাই সেই এলাকার রাস্তা পরিদর্শনে গেলেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায়। এদিন তিনি পরিদর্শনে গিয়ে এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলেন।












Click it and Unblock the Notifications