Train Accident: কেবল কি মালগাড়ির চালকের ভুলেই এতগুলো প্রাণ গেল? সুরক্ষা 'কবচ' ছিল না, মানল রেলবোর্ড
ফের ট্রেন দুর্ঘটনা। এক বছর আগে ঠিক জুন মাসেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা দেখেছিল ওড়িশার বালেশ্বর। বাহানাগা স্টেশনে করমন্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেলবোর্ডের তরফ থেকে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়েছে মালগাড়ি চালক সিগন্যাল মানেননি বলেই এই দুর্ঘটনা।
যে লাইনে বন্দেভারতের মতো হাইস্পিড ট্রেন চলছে। সেই লাইনে নেই কোনও 'কবচ' সুরক্ষা। রেলবোর্ডের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে কার্যত স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে সেকথা। দিল্লি গুয়াহাটি লাইনে এখনও কবচ বসানো হয়নি বলে জানিয়েছেন রেল বোর্ডের চেয়ার পার্সন। দুর্ঘটনার পুরো দায় মালগাড়ির চালকের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

দুর্ঘটনা মারা গিয়েছেন মালগাড়ির চালক এবং কাঞ্জনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ড। মালগাড়ির চালক সিগন্যাল না মেনেই ট্রেন চালাচ্ছিলেন বলে জানানো হয়েছিল। মালগাড়ির গতি ছিল ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। দ্রুত গতিতে সেটি পিছন থেকে এসে ধীরে চলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ধাক্কা মারে। তার তীব্রতায় তিনটি কামরা একেবারে লাইনচ্যূত হয়ে গিয়েছে।
কবচ হচ্ছে রেলের সুরক্ষার একটি প্রযুক্তি। যেটা থাকলে রেলের দুর্ঘটনা প্রবণতা অনেকটাই কমানো যাচ্ছে। কোনও ট্র্যাকে ট্রেন থাকলে সেখানে সিগন্যাল লাল হয়ে যাওয়া, লাইন ক্লিয়ার থাকলে সবুজ থাক। লাইনে ট্রেন থাকলে সিগন্যাল হলুদ থাকা একাধিক প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় ভাবে এই কাজ করে এই কবচ। লোকো পাইলট সেই সিগন্যাল নিজের কেবিনে বসেই দেখতে পান।
এই সিস্টেম লাইনে বসানো থাকলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। কিন্তু রেল বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে কোনও কবচ সিস্টেম বসানো ছিল না। কেবন মাত্র হাওড়া দিল্লি লাইনে ১৫০০ কিলোমিটার কবচ বসানো হয়েছে। বাকি লাইনে বসানো হয়নি। রেলের এই সাফাই নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেস এবং আরজেডি রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে।












Click it and Unblock the Notifications