হিলি সীমান্তে পণ্য বোঝাই লরি আটকে, বাংলাদেশের আন্দোলনে বাণিজ্যে কত ক্ষতি?
বাংলাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফু চলছে। সোমবার থেকে সাময়িক সেই দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু সীমান্ত এখনই সম্পূর্ণ খোলা হচ্ছে না। ফলে ভারত থেকে পণ্য নিয়ে যাওয়া বড় লরি, ট্রাকগুলি আটকে পড়েছে। ক্ষতির অঙ্কও বাড়ছে ক্রমাগত।
প্রথম দিকে সব গাড়ি আটকেছিল সীমান্তে। অত্যাবশকীয় পণ্য, আনাজপাতির ট্রাক আটকে রাখা হয়েছিল৷ পরিস্থিতি একটু উন্নতি হওয়ায় সবজি, আনাজপাতির গাড়ির ছাড়পত্র এসেছে। গতকাল থেকে পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, সবজি জাতীয় কাঁচামাল সীমান্ত পেরিয়ে যেতে শুরু করেছে৷ কিন্তু অন্যান্য কাঁচামাল, জিনিসপত্র যাওয়ার ছাড়পত্র মিলছে না।

ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাংলাদেশে কার্ফু বলবৎ থাকায়, আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন ভারতের রফতানি কারকরা। পরশু দিন থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে আমদানি - রফতানি বন্ধ রয়েছে। ভারত - বাংলাদেশের সীমান্তে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পণ্যবোঝাই লরি, ট্রাক।
কেবল পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা জাতীয় কাঁচামাল রফতানি এখন শুরু হয়েছে৷ অন্যান্য পণ্য রফতানি একেবারেই বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশে রফতানির জন্য বিভিন্ন পণ্য নিয়ে হিলি সীমান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে সারি সারি লরি। কবে সীমান্ত খুলবে? কবে আবার জিনিসপত্র রফতানি হবে? তাই নিয়ে আশঙ্কাও রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার পণ্য আমদানি এই মুহূর্তে বন্ধ রেখেছে। ভারতের ব্যবসায়ীদের 'অন রিকোয়েস্ট' কেবল কাঁচামাল জাতীয় পণ্য আমদানি করছে বাংলাদেশ। ফলে অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে এখন কেবলই অপেক্ষা। দুদিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা লরি, ট্রাকের খরচ লাফিয়ে বাড়ছে৷ এদিকে পণ্য নিয়ে ফিরে যাওয়ার উপায়ও নেই৷ ফলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ভারতের রফতানি কারকরা।
অন্য দিকে বাংলাদেশে নেট পরিষেবা বন্ধ। সার্ভার বসে গিয়েছে। ব্যাংকিং সহ অন্যান্য কাজকর্ম করতে পারছেন না রফতানি কারকেরা। এমনকি ইন্টারনেট না থাকায় বাংলাদেশের আমদানি কারকদের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করাও যাচ্ছে না। হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি রাজেশ কুমার আগরওয়াল এই কথা জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications