বিজেপি ক্ষমতায় এলে 'উত্তর প্রদেশ ট্রিটমেন্ট'! ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হুঁশিয়ারি সুকান্ত মজুমদারের
বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে। ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির ঝান্ডা ধরেও কিন্তু বাঁচতে পারবেন না। উত্তর প্রদেশ ট্রিটমেন্ট হবে, পুরো এনকাউন্টার হবে। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রবিবার এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
চলতি লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম দফার ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে শনিবার। ভোট শেষের পরেই বিভিন্ন এক্সিট পোলের সমীক্ষা জানিয়েছে, কেন্দ্রে এবারও বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে। পাশাপাশি বাংলায় বিজেপির ফল তৃণমূলের থেকে ভাল হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে এক্সিট পোল।

- রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা
এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিরোধী মূলত বিজেপির নেতা-কর্মী এবং পোলিং এজেন্টদের ওপের হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নদিয়ার কালীগঞ্জে এমনই এক ঘটনায় এক সংখ্যালঘু বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বেলেঘাটায় মহিলা পোলিং এজেন্টের মাথা ফেটেছে। ব্যারাকপুরে বিজেপির এজেন্টের বাড়ির সামনে একের পর এক বোমা ফেলা হয়েছে।
- মোদীজিই ক্ষমতায়
রবিবার বালুরঘাটে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, মোদীজি যে ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে কারও দ্বিমত নেই। এমন কী বিরোধী দলের নেতারাও জানেন। সেজন্য তো পয়লা জুনের ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠকে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, লালকেল্লায় মোদীজির হাতেই তিরাঙ্গা উঠবে। তবে বঙ্গে ৩০ আসন জয় যে বিজেপির যে টার্গেট তা উল্লেখ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিজেপির টার্গেট ৩০। ৩০ পর্যন্ত যতক্ষণ না পৌঁছচ্ছে ততক্ষণ লড়াই চলবে। ৩০ পেরোলে তবে ধরে নেওয়া যাবে বিজেপি জিতেছে।
- তৃণমূলের সময় আসন্ন
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও সরব হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসা বসিরহাট, নদিয়ায় শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় অর্থাৎ কলকাতার প্রাণ কেন্দ্র সেখানে বিজেপি কর্মীদের মাথা ফাটানো, ধমকানো চমকানো হয়েছে। তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস বুঝতে পেরেছে তাদের সময় আসন্ন।
সংবাদমাধ্যমের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় এদিন সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়ান। ভোট পরবর্তী ১৫ দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সুকান্ত মজুমদার সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সক্রিয় রাখার দাবি তিনি করেছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন, তারা চাইবেন কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন থানায় বসে না থাকে।












Click it and Unblock the Notifications