বেঙ্গল ফরেস্ট এলাকা থেকে উদ্ধার তিনটি ক্যাঙারু, কোথা থেকে তারা এল, তদন্তে বনাধিকারিকরা

তিনটি ক্যাঙারু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়িতে। কোথা থেকে এল ক্যাঙারু, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাচারের জন্য ক্যাঙারু নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান।

তিনটি ক্যাঙারু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়িতে। কোথা থেকে এল ক্যাঙারু, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাচারের জন্য ক্যাঙারু নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। ক্যাঙারুর কীভাবে এখানে এল তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেঙ্গল ফরেস্টে পাওয়া ৩টি ক্যাঙারুর মধ্যে ২টি জখম।

বেঙ্গল ফরেস্ট এলাকা থেকে উদ্ধার তিনটি ক্যাঙারু, তদন্ত শুরু

শুক্রবার রাতে জলপাইগুড়ির গাজোলডোবা ক্যানেল রোড থেকে দুটি ক্যাঙারু উদ্ধার করে বনবিভাগের কর্মীরা। তার খানিক পরে বৈকুণ্ঠপুর বন বিভাগের ডাবগ্রাম রেঞ্জের অন্তর্গত ফাড়াবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় আর একটি ক্যাঙারু। এই তিন ক্যাঙারু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা চলছে। বৈকুণ্ঠপুর বন বিভাগের অধীনে বেলাকোবা ফরেস্টের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত জানান, "আমরা এই ক্যাঙারুদের হদিশ পেয়েই উদ্ধার করেছি। তবে কাদের দ্বারা এবং কীভাবে তাদের আনা হয়েছিল এবং তাদের আনার পিছনে কী কারণ ছিল তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।"

রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত আরও জানা, "আমরা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। খুঁজে বের করার চেষ্টা হচ্ছে কীভাবে, কোথা থেকে এল ক্যাঙারু তিনটি।" শুক্রবার রাতে টহল দেওয়ার সময় দুটি ক্যাঙ্গারু দেখতে পান বনকর্মীরা। তাদের শরীরে কিছু গুরুতর আঘাত ছিল। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য বেঙ্গল সাফারি পার্কে আনা হয়েছিল বলে জানান রেঞ্জার সাহেব।

তিনি জানান, "ক্যাঙারুদের শরীরে গুরুতর আঘাত থাকেয় তাদের আরও চিকিৎসার জন্য বেঙ্গল সাফারি পার্কে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে। বিশেষ অফিসারদের নিয়ে তৈরি একটি দল বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ক্যাঙারুগুলিকে পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু পাচারে ব্যর্থ হয়ে ছেড়ে দিয়ে পালায় পাচারকারীরা।

এর আগে ১২ মার্চ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি ক্যাঙারু উদ্ধার করে পুলিশ। সেটাও পাচার করার জন্য আনা হয়েছিল। এবারও তিনটি ক্যাঙারু শাবক পাচারের জন্য আনা হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। বন দফতরের আধিকারিরকা খবর পেয়েছেন, ক্যাঙারু পাচতার করে এখন ব্যাবসা শুরু করেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এটা তেমনই কোন অসাধু চক্রের কাজ বলে মনে করা হচ্ছে।

বন দফতরের আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, জলপাইগুড়ি দিয়ে ক্যাঙারু পাচার করা হচ্ছে। এই পাচারের পিছনে বড় মাথা রয়েছে বলেও অনুমান। এখন এই তদন্তে আরও গুরুত্ব আরোপ করে বিশেষ তদন্তাকারী দল তৈরি করা হয়েছে। এই চক্রটিকে ধরার জন্য পরিকল্পনা করেই এগোচ্ছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+