বিজিবির আস্ফালন, গুলি করার হুমকি! কাঁটাতার নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ, কীভাবে? বড় ইঙ্গিত বিধায়কের
India-Bangladesh Border: ভারত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি ঘটেছে! ওপার বাংলাদেশ জুড়ে এখন শুধুই ভারত বিদ্বেষ। যার আঁচ এসে পড়েছে দু দেশের সীমান্তেও। কাঁটাতার লাগানো নিয়ে নজিরবিহীন সংঘাতে ভারত এবং বাংলাদেশের দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। যেখানেই কাঁটাতার লাগানোর কাজ করছে বিএসএফ, সেখানেই বাধা দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ অর্থাৎ বিজিবি। পাল্টা কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে বিএসএফের তরফেও।
কার্যত গত কয়েক বছরে এমন বিএসএফ (BSF) এবং বিজিবির (BGB) সংঘাত কেউ দেখেছে কিনা তা মনে করতে পারছেন না। আর এর মধ্যেই পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখতে এবার ময়দানে নামলেন বালুরঘাটের বিজিপি বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh Border) শিবরামপুর গ্রাম পরিদর্শন করলেন।

সীমান্ত এলাকায় থাকা ভারতীয় নাগরিকদের মনে সাহস জোগান বালুরঘাটের বিজিপি বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী। প্রথমে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বললেও পরে বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। যা খবর, বিজেপি বিধায়ক পরিস্থিতি নিয়ে সীমান্ত রক্ষি বাহিনী অর্থাৎ বিএসএফের কাছে খোঁজ নেন বলেই খবর।
প্রসঙ্গত, গত দিন তিনেক আগে শিবরামপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ভারতের মানুষ দেওয়ার কাজ চালাচ্ছিল। আর তাতেই বিজিবি বাধা দেয়। এবং গুলি করে দেওয়া হবে বলেও ভারতীয় নাগরিকদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, ভারতের এলাকা বেড়া দিলেও নাকি তা খুলে দেওয়া হবে বলেও বিজিবি হুঁশিয়ারি দেয় বলে দাবি স্থানীয় মানুষদের। যদিও বিএসএফ এলাকায় পৌছলে দ্রুত বিজিবি এলাকা ছাড়ে। এরপর থেকেই ওই এলাকায় বিজিবি এবং বিএসএফ নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। এমনকি দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ফ্লাগ মিটিং হলেও, বেড়া দেওয়ার কাজ বন্ধ রয়েছে।
পরে বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী বলেন, ভারত সরকারের গৃহীত নীতি অনুযায়ী কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। চোরাচালান বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে যাতে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামবাসীদের অসুবিধা না হয় সে কথা মাথায় রাখতে হবে বিএসএফকে। যে সমস্যা হয়েছিল সেই সমস্যা দ্রুত মিটে যাবে বলে আশা তাঁর। যদিও এতেই ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের। রবিবারই ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে সে দেশের বিদেশ দফতর কথা বলেছে বলেই খবর।
ওপার বাংলার খবরে দাবি, সীমান্ত নিয়ে নাকি উদ্বিগ্ন ইউনূস সরকার। যদিও এবারের প্রাক্তন সেনা আধিকারিকরা মনে করছেন, ভারতের বেড়া দেওয়াতে আওংকিত ওরা। চোরাচালান-গরু পাচার তো বন্ধ হয়ে যাবে। খেতে না পেয়ে মরবে বলেও হুঁশিয়ারি।












Click it and Unblock the Notifications