দুপুরেই নামল আঁধার, জলপাইগুড়িতে ঝড়ের তাণ্ডবে মৃত কমপক্ষে চার! মুখ্যমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ,আবহাওয়ার সতর্কতা জারি
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন। এদিন দুপুর থেকে উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় ঝড় বৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সময়ে হওয়া এই ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিতে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে, গাছ উপড়ে গিয়েছে, রাস্তায় যানবাহনও উল্টে গিয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবারের প্রাকৃতিক দুর্যোগে যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের দুজন হলেন, সেন পাড়ার বাসিন্দা দ্বিজেন্দ্রনারায়ণ সরকার(৫২), জলপাইগুড়ির গোশালার বাসিন্দা অনিমা রায় (৪৯)।

এই খবর পাওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলপাইগুড়ি রওনা হয়েছেন। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ জায়গায় সরানো হচ্ছে এবং জেলা প্রশাসন, মৃত ও আহতদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, আদর্শ আচরণবিধি অনুসারে ক্ষতিপূরণ দেবে। সোমবার তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করবেন।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার এদিন জলপাইগুড়ি ও ময়নাগুড়ি এলাকায় বিপর্যয় ডেকে এনেছে। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে। ব্লক-জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ডিএমজি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অভিযানে নেমেছে।
রাজ্যপালও সোমবার জলপাইগুড়িতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে সোমবার জলপাইগুড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা বাতিল করা হয়েছে। তবে সোমবার বিকেলে শিলিগুড়িতে দলের বৈঠকে তিনি হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জেলার স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সোমবার তিনি আহতদের দেখতে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে যাবেন।
রবিবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী ফোন করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি ছেড়ে হাসপাতাল হয়ে রাতেই ময়নাগুড়ি ব্লকের বার্নিশ এলাকায় যাচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications