'মানসিকভাবে বিধ্বস্ত' হাঁসখালির তৃণমূল নেতা ছেলের জন্য ভাবছেন না! নিজের উপস্থিতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ উপপ্রধানের
হাঁসখালিতে (Hanskhali) গণধর্ষণের (gang rape) ঘটনায় গ্রামে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রথমে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে পাওয়া না গেলেও প্রকাশ্যে এসে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে যে
হাঁসখালিতে (Hanskhali) গণধর্ষণের (gang rape) ঘটনায় গ্রামে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রথমে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে পাওয়া না গেলেও প্রকাশ্যে এসে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে যে তিনি ছিলেন, তা কি কেউ প্রমাণ করতে পারবে। যদিও এরই মধ্যে তৃণমূল (trinamool congress) উপপ্রধান সমর গোয়ালার (samar goyala) বাড়ির তালা ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করেছে সিবিআই (CBI)।

বেপাত্তা ছিলেন তৃণমূল নেতা
ঘটনা সামনে আসতেই বেপাত্তা ছিলেন তৃণমূল নেতা সমর গোয়ালা। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেতা আস্কারাতেই ছেলে ব্রজগোপাল গোয়ায়র বাড়বাড়ন্ত। ছেলের গ্রেফতারের পরেও খোঁজ পাওয়া যায়নি সমর গোয়ালার। বাড়িতে তালা গিয়ে পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়েছিলেন।

সিবিআই দরজা ভেঙে নমুনা সংগ্রহ করে
হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার হাতে পাওয়ার পরে হাঁসখালির গ্রামে যায়। সমর গোয়ালার বাড়ির দরজা ভেঙে নমুনা সংগ্রহ করে। যে ঘরে অপরাধ সংগঠিত হয়েছিল, সেই ঘরে বিছানার চাদর-সহ বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্ত ল্যাবের বিজ্ঞানীরা। সিবিআই আধিকারিকরা শ্মশানে গিয়ে ছাইও সংগ্রহ করেছিলেন।

তৃণমূল নেতার চ্যালেঞ্জ
তবে সিবিআই বাড়ির তালা ভেঙে নমুনা সংগ্রহের পরে প্রকাশ্যে এসেছেন সমর গোয়ালা। তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন, তা কি কেউ প্রধান করতে পারবেন? তিনি দাবি করেছেন, যা হয়েছে, তা তাঁর অনুস্থিতিতেই হয়েছে। তিনি কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন কিংবা লোক পাঠিয়ে ভয় দেখিয়েছেন, এমন কথা যাঁরা বলছেন, তাঁদেরকে প্রমাণ গিতে হবে। ঘটনার সিবিআই তদন্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, অন্যায় করলে ছেলে শাস্তি পাক। আর সিবিআই ডাকলেই তিনি হাজিরা দেবেন বলে জানিয়েছেন। ছেলের জন্য তাঁর ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন সমর গোয়ালা। কিশোরীর দেহ তড়িঘড়ি পুড়িয়ে দেওয়া নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

মানসিকভাবে বিধ্বস্ত
তৃণমূলের উপপ্রধান বলেছেন, যেভাবে গ্রামবাসীদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, তাতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তিনি বলেছেন ছেলের জন্য দুঃখ নেই। তবে এতদিন যাঁরা তাঁর মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন, তাঁরাই আজ বিরুদ্ধে কথা বলছেন বলে মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা। প্রসঙ্গত গ্রামবাসীদের একটা বড় অংশ অভিযোগ করেছিলেন, জন্মের সার্টিফিকেট হোক কিংবা মৃত্যুর সার্টিফিকেট সবেতেই টাকা নিতেন সমর গোয়ালা। এছাড়াও কিছু লেই বাবা-ছেলে বন্দুক নিয়ে ভয় দেখাতেন।












Click it and Unblock the Notifications