অভিষেকের জবাবি সভা থেকে তিন মন্ত্রে মমতাকে প্রাক্তন করার বার্তা, মতুয়া গড়ে তোপ শুভেন্দুর
অভিষেকের জবাবি সভা থেকে তিন মন্ত্রে মমতাকে প্রাক্তন করার বার্তা, মতুয়া গড়ে তোপ শুভেন্দুর
অভিষেকের জবাবি সভা ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন করার বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নদিয়ার মতুয়া গড় রানাঘাটে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ভোট লুঠ করে ২০১৮ সালে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার তার জবাব দেওয়ার পালা। দল একটা দায়িত্ব দিয়েছিল, তা করে দেখিয়েছি। আর একটা দায়িত্ব পালন বাকি।

রানাঘাটের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর দায়িত্ব দিয়েছিল বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। আর একটা কাজ বাকি আছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন করতে হবে। সেটাও করব। আপনাদের সবাইকে নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন করে ছাড়ব।
বাংলায় দুর্নীতির সরকার চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবাস যোজনার নাম বদলে দুর্নীতি করেছে, একশো দিনের টাকা নিয়ে দুর্নীতি করেছে। এখন বলছে একশো দিনের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রের সরকার। আমি আর আমাদের রাজ্য সভাপতি কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছি, যে অবৈধভাবে টাকা নেবে তাঁর টাকা ফেরত নিয়ে ছাড়ব।
মাত্র ৬ দিন আগে নদিয়ার মতুয়া গড়ে সভা করে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর শুভেন্দু অধিকারী রানাঘাটের ফ্রেন্ডস ক্লাবের ময়দানে সভা করলেন। রানাঘাটের সভা থেকে শুভেন্দু একহাত নেন অভিষেককে। তিনি নাম না করেই বলেন, কয়েকদিন আগে এখানে সভা করে গিয়েছে বড় ডাকাত। তিনি বলেন, তিনি কোনও টাকা খান না, তিনি টাকা খাবেন কেন, তিনি কয়লা খান, গরু খান, মদের বোতল খান। এভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী যথারীতি নাম না করে এদিনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন করতে তিনটি স্লোগানের কথা বলেন তিনি। তিনি বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে স্লোগান তুলুন, ঘুষ মুক্ত যুক্ত চাকরি চাই৷ কাটমানি মুক্ত নাগরিক পরিষেবা চাই। আর রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ চাই। এই তিন মন্ত্রেই তিনি পঞ্চায়েত জিততে চাইছেন।
রাজনৈতিক সভামঞ্চ থেকে তিনি ফের তিন স্লোগান তুললেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে দুর্নীতিই প্রধান ইস্যু হতে চলেছে, তা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, বাংলার ঘুষমুক্ত ও মেধাযুক্ত কর্মসংস্থান চাই। পুলিশ ছাড়া তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব নেই। আর বাংলার বড় ডাকাতকে আমি বুঝে নেব।
তিনি বলেন, যাঁরা চাকরি হারাচ্ছেন। তাঁদেরকে আমরা গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জড়ো করব। তাঁদের নিয়ে স্লোগান তুলব, চলো কালীঘাটের দিকে চলো। যে টাকা খেয়েছো তা ফেরত দাও। শীঘ্রই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেবে আদালত। তারপর আর তৃণমূলের এই সরকার বেতন দিতে পারবে না। সরকার আর চলবে না।












Click it and Unblock the Notifications