মৃত্যুভয়কে পিছনে ফেলে অলিম্পিকের ইতিহাসে অমরত্ব, একনজরে ‘ফ্লাইং ফিশ’ মাইকেল ফেল্পসের জল-যুদ্ধ
একনজরে ‘ফ্লাইং ফিশ’ মাইকেল ফেল্পসের জীবনী
সাত বছর বয়সে সুইমিং পুলে নামতেই জাঁকিয়ে ধরত মৃত্যু ভয়, কিন্তু ১৫ বছর বয়সেই হয়ে ২০০০ সালের সিডনি অলিম্পিকে জাতীয় টিমের সদস্য। তারপর একের পর এক বিশ্ব রেকর্ড এসেছে নিজস্ব ঝুলিতে। অধ্যবসায়, নিয়ম, সংযম, কঠোর অনুশীলন ও জীবনের অনুশাসনের হাত ধরেই আসতে থাকে একের পর সাফল্য। কথা হচ্ছে হিশ্বের অন্যতম সেরা সাঁতারুই শুধু নয়, সর্বকালের অন্যতম সেরা অলিম্পিয়ান মাইকেল ফেল্পসকে নিয়ে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে জন্ম সর্বকালের সেরা এই অলিম্পিয়ানের
ফেল্পেসের পুরো নাম মাইকেল ফ্রেড ফেল্পস। জন্ম ১৯৮৫ সালের ৩০ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরে। কিন্তু সুইমিংপুলের জলদানব হয়ে বিশ্বজুড়ে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে ফেলার পর বাল্টিমোরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি পরিচিত 'বাল্টিমোর বুলেট' নামেই। এদিকে তিন ভাইবোনের মধ্যেই ফেল্পসই ছিল সবার ছোট। ফেল্পের বাবাও ছিলেন ক্রীড়াবিদ। মা ছিলেন শিক্ষিকা। যদিও ফেল্পের যখন নবছর বয়স তখনই বিচ্ছেদ হয়ে যায় তার মা-বাবার।

১৯৯৬ সালে শুরু ফেল্পসের সাঁতারু জীবন
পারিবারিক সূত্রে খবর, ছোটবেলায় সাঁতারে বিশেষ আগ্রহ ছিল না ফেল্পসের। বরং জল দেখলে উল্টে ভয়ই পেত সে। যদিও পরবর্তী ভয় কাটিয়ে খানিক শেখার ইচ্ছার তাগিদেই দুই দিদির সঙ্গে স্থানীয় সুইমিং টিমের সঙ্গে সাঁতার শিখতে নেমে পড়েন। ১৯৯৬ সালে ফেল্পসের সাঁতারু জীবন শুরু হয় লয়োলা উচ্চবিদ্যালয়ের সুইমিংপুলে।

কোচ বব বাউম্যানের সঙ্গেই শুরু প্রথম পথ চলা
আর সেই সময় প্রথম নিজ গুরুর সঙ্গে দেখা পান ফেল্পস। আর তখন থেকেই কোচ বব বাউম্যানের সঙ্গে পথ চলা শুরু। তিনিই বাল্টিমোর অ্যাকুয়েটিক ক্লাবে ফেল্পেসের প্রশিক্ষকও ছিলেন। তাঁর চেষ্টা ও নিজ দক্ষতার কাঁধে ভর করে অল্প বয়সেই একের পর সাঁতারের কৌশল করায়াত্ব করতে থাকেন ফেল্পেস। এও শোনা যায় সাঁতারে ফেল্পস প্রথম যে বিষয়টি আয়ত্ত্ব করতে পেরেছিলেন, তা ছিল ব্যাকস্ট্রোক।

একনজরে ফেল্পসের বিশ্ব রেকর্ড
যদিও অনেকেই মনে করেন ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতা, পায়ের পাতা বড়, তাই সাঁতারে বাড়তি সুবিধে পান ফেল্পেস। কিন্তু তারপরেও এই 'ফ্লাইং ফিশের' ঝুলিতে থাকা বিশ্ব রেকর্ড থেকে যে কেউই ভিরমি খাবেন। গোটা অলিম্পিক জীবনে সর্বাধিক ২৩টি অলিম্পিক সোনা জিতে নিয়েছেন এই এই পুল সম্রাট। যার মধ্যে আবার ৭টি বিশ্বরেকর্ড এখনও আছে তাঁর নামে। পাশাপাশি অলিম্পিক গেমস, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ এবং প্যান প্যাসিফিক চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে ফেল্পস মোট ৬৫টি সোনার পদকসহ ৮২টি পদক জিতেছেন।

জড়িয়েছেন মাদক বিতর্কেও
যদিও মাদকের নেশার জন্য জীবনে বেশ কয়েকবার বড়সড় বিপদের মুখে পড়তে হয়েছে এই বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াবিদকে। ২০১৪ সালে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য জেলেও যেতে হয় তাঁকে। এমনকী পরবর্তী ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপেও তাঁকে বাতিল করা হয়। কিন্ত তার এই অধঃপতনে ভক্তরা যখন ক্রমেই নিরাশ হয়ে পড়ছেন তখন কার্যত ফিনিক্স পাখির মতোই ব্রাজিলের রিও অলিপিঙ্কে ফের ডানা মেলতে শুরু করেন ফেল্পস। একের পর এক পদ ছিনিয়ে আনেন সাঁতারের সুপারম্যান।
-
কেন্দ্রের তরফে আমলাদের রদবদল, প্রায় তিন ডজন শীর্ষ আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব ঘোষণা -
ইরান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা, কী ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
কালবৈশাখীর দাপট অব্যাহত! বৃষ্টির সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? জানুন -
২৯৪ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করল কংগ্রেস, শ্রীরামপুরে লড়ছেন শুভঙ্কর সরকার -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই ফের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন নরেন্দ্র মোদী, কী নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী? -
NASA-র বড় পরিকল্পনা! ৫০ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নতুন মিশন? জানুন -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াইয়ে যোগ শাহের, ভবানীপুরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ












Click it and Unblock the Notifications