পুলিশকে থোড়াই কেয়ার, তিনি হাত দিলেই সব ঠান্ডা! পটাশপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মুখে 'খেলা হবে'
পটাশপুরে পুলিশের অনুমতি ছাড়াই সভা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বললন তিনি হাত দিলেই সব ঠান্ডা। বিরোধী দলনেতা সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ধরতে বলেন। তিনি বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসায় সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এই পটাশপুর।
রবিবার বিকেল তিনটেয় পটাশপুরের দাইতলা বাজারে দুর্গাপুজো কমিটির মাঠে সভা করতে চেয়ে পুলিশের কাছে অনুমতি চায় বিজেপি। অন্যদিকে দুর্গাপুজো কমিটি প্রথমে অনুমতি দিয়েও পরে তা বাতিল করে দেয়। পুলিশ আবেদন ত্রুটিপূর্ণ বলে বাতিল করে দেয়। এরপর এদিন অস্থায়ী মঞ্চে দাঁড়িয়ে সভা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সভার শুরুতেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান করেন। এত চুরি-দুর্নীতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুষ্টি জেলে যাচ্ছে তা সম্ভব হয়েছে বিচার ব্যবস্থার জন্যই বলেন তিনি। অন্যদিকে তাঁকে যেমন প্রোটেকশন দিয়েছে বিচার ব্যবস্থা, আবার তাঁর বিরুদ্ধে সাতবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে রাজ্য সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলেছেন বিরোধী দলনেতা।
বিরোধী দলনেতা বলেন, পার্থ-অর্পিতা জেলা, পিসি-ভাইপোর দলে অনেকেই জেলে। পিসি-ভাইপো বাকি রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর মুখে এদিন খেলা হবে কথা শোনা যায়। তিনি বলেন, মোমিনপুর-একবালপুর ঠান্ডা করে দিয়েছেন। শিবপুর-রিষড়াও শিগগির ঠান্ডা হয়ে যাবে। পটাশপুরও হবে, আশ্বাস দেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিজেপিকে মামলায় ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। পুলিশের বিরুদ্ধে তিনি সভা বানচারের অভিযোগ করেন। পাশাপাশি বলেন, দলীয় কর্মী সমর্থকরা ঠিকভাবে বাড়ি না পৌঁছলে দায়ী থাকবে পুলিশ। সভা শেষে শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন করেন, তৃণমূল মানে কী, সমবেত কন্ঠে উত্তর আসে চোর। একইভাবে তিনি বেশ কয়েকবার প্রশ্ন করেন তৃণমূল মানে কী?
গত বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় প্রতিবাদ মিছিলের পাশাপাশি জেলা জুড়ে কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। তেমনই এক কর্মসূচিতে পটাশপুরে অবরোধকারীদেরও পরে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেখানে সিভিক ভলান্টিয়াররা লাঠি চার্জ করেন বলে অভিযোগ। তারপরেই শুভেন্দু অধিকারী পটাশপুর অভিযানের ডাক দেন।

পটাশপুরে দুর্গাপুজো কমিটির মাথায় থাকা তৃণমূলের নেতাই শুভেন্দু অধিকারীর সভার অনুমোদন বাতিল করেছেন বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। বিজেপির তরফে বিষয়টিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, সভা করার অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়াটা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়। তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে পুলিস কাকে অনুমতি দেবে বা কাকে দেবে না, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।












Click it and Unblock the Notifications