Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Debangshu Bhattacharya: তৃণমূল নেত্রীর কড়া বার্তার পরে বিস্ফোরক! হারার যেসব কারণ উল্লেখ করলেন দেবাংশু

Debangshu Bhattacharya: দলের মধ্যে নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে যেসব বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন তা জানালেন তমলুকে তৃণমূলে পরাজিত প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। শনিবার কালীঘাটে তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে নির্বাচন পর্বে দেবাংশুকে আরও সক্রিয় থাকার পরামর্শ দিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবাংশুর এই প্রতিক্রিয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

দেবাংশু ভট্টাচার্য হেরে যাওয়ার কারণ হিসেবে বেইমানি আর অর্থের কথা উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি পরিশ্রমে নিজের ১০১ শতংশ দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন দেবাংশু ভট্টাচার্যে। এছাড়াও তিনি বলেছেন, সব কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় বলতে পারছেন না।

Debanshu Bhattacharya

  • রুটিন

দেবাংশু বলেছেন, সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠে টয়লেট সেরে, স্নান করে, এক বাটি ছাতুর সরবত খেয়ে রোজ বেরিয়ে পড়তেন সকাল ৮টার মধ্যে। প্রবল রোদে দুপুর ১ টা পর্যন্ত প্রচার চলত। তারপর ঠিকানায় ফিরে একটু গা ধুয়ে, দুপুরের খাওয়া সেরে পুনরায় ৩ টে নাগাদ রওনা দিতেন। চলত রাত ৯-টা পর্যন্ত। কখনও কখনও সেটা সাড়ে দশটাও বাজত।

রাতে নিমতৌড়ির বাড়িতে ফিরে খাবার খেয়ে শুরু হত বিভিন্ন নেতা, কর্মীদের সঙ্গে বাড়ির অফিসে অভ্যন্তরীণ মিটিং , কখনও কখনও সেসব মিটিং চলেছে রাত ২ টো পর্যন্তও। মিটিং শেষে ঘুমিয়ে আবার পরের দিন সকালে ৬ টায় ওঠা। তমলুকের দলীয় কর্মীরা, যাঁরা সেই বাড়িতে প্রায়শই আসতেন তাঁরা সকলেই এই রুটিন জানেন।
দেবাংশা বলেছেন, পরিশ্রমে নিজের ১০১% দিয়েছি। যা করতে পারি তার বেশি করেছি। নিজের টিম, আইপ্যাকের কয়েকজন এবং পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় উন্মাদের মতো পরিশ্রম করেছে। সঙ্গে প্রাণপাত করে দিয়েছেন বুথ স্তরের দলীয় কর্মীরা।

  • হেরেছেন অর্থের কাছে

নিজেদের সবটা দেওয়ার পরেও বেইমানি আর অর্থের কাছে হেরে গিয়েছেন, বলেছেন দেবাংশু। এত কোটি কোটি টাকার বিরুদ্ধে স্বল্প ক্ষমতার লড়াই ব্যর্থ হয়েছে। গোটা জেলায় নেতা-কর্মী নয়, ভোট করিয়েছে কেবল টাকা।

  • সন্ত্রাসের অভিযোগ

সঙ্গে ছিল নন্দীগ্রাম ও ময়নার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিস্তৃত সন্ত্রাস; নির্বাচনের দিন তিনেক আগে থেকে বিরুলিয়া, বয়াল, ভেকুটিয়া, হরিপুর, গোকুলনগরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে না বেরোনোর হুমকি তথা ফতোয়া এবং সোনাচূড়া অঞ্চল জুড়ে ভোটের দিন দেদার ছাপ্পা। ময়নার বাকচা অঞ্চল এতটাই মুক্তাঞ্চল, তৃণমূল নাম উচ্চারিত হলেও মারধর এমনকি প্রাণহানিও সেখানে নতুন নয়। দলের ঝান্ডা বাঁধার লোক পর্যন্ত সেখানে নেই। তার ওপর নির্বাচনের দিন দুয়েক আগেই সেই খুন। যাকে কেন্দ্রে করে গোটা নন্দীগ্রাম হয়ে উঠেছিল দুর্বৃত্তদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র। সেই পরিস্থিতে সবটা এতটা একপেশে হয়ে গিয়েছিল, এক সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিল এই নির্বাচন এখন লড়া, না লড়া সমান ব্যাপার। তবুও তারা হাল ছাড়েননি, বলেছেন দেবাংশু।

  • সংগঠন দুর্বল

পরিস্থিতির সুযোগে আমার বিপরীতের প্রার্থী আধা বেলা প্রচার না করেও জিতে গিয়েছেন। আর তিনি পাগলের মতো বুথ বুথ ঘুরেও জিততে পারিননি। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী ক্ষেত্রে যখন প্রথম পৌঁছলেন, সাংগঠনিক পরিস্থিতি দেখে চমকে গিয়েছিলেন! মনে হয়েছিল, হঠাৎ করে কোনও অগ্নিকুণ্ডে এসে পড়েছেন বোধহয়। আরও অনেক মানুষ চেনা, অনেক রকমারি অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে শেষ আড়াই মাস ভিমড়ি খেয়েছেন প্রচুর, প্রকাশ্যে সবটা লিখতে কিংবা বলতে চান না।

  • নৌকো খোয়া গিয়েছে

দেবাংশু বলেছেন, মার্চে ওজন ছিল ৮৩ কিলো। যা আজ কমে ৭৭, সৌজন্যে শেষ আড়াই মাস। এই ৬ কিলো ওজনের বিনিময়ে ৬ লক্ষ ৮৭ হাজার মানুষের ভালবাসা পেয়েছে, আশীর্বাদ পেয়েছেন, সেটাই তাঁর কাছে এই নির্বাচনের নির্যাস।

তিনি বলেছেন, আগামী দিনে এই রাজনৈতিক নদী-পথ তাঁকে কোন মোহনায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে জানেন না। শুধু এটুকু জানেন, তাঁর নৌকো খোয়া গিয়েছে, কেবল নিজেকে ভাসিয়ে, বাঁচিয়ে রেখেছেন এই অগাধ জলরাশির পৃষ্ঠ দেশে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+