RG Kar-এর চিকিৎসকের মর্মান্তিক পরিণতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পোস্ট করে গ্রেফতার ছাত্র
আরজি করে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পরে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে নানা গল্প, অডিও। জেনে, না জেনে অনেকেই তা শেয়ার করছেন। এর ফলে রবিবার পর্যন্ত হাজার জনের বেশি ব্যক্তিকে কলকাতা পুলিশের তরফে নোটিশ পাঠিয়ে লালবাজারে দেখা করতে বলা হয়েছে। এঁদের মধ্যে যেমন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় রয়েছেন। অন্যদিকে কুণাল সরকারের মতো চিকিৎসকও রয়েছেন।
তৃণমূল সরকার পুলিশকে দিয়ে প্রতিবাদীদের মুখ বন্ধ করাতে চাইছে বলে অভিযোগ করে বিরোধী দলনেতা বলেছেন, যাঁদেরকে পুলিশ নোটিশ পাঠিয়েছে, তাঁদেরকে আইনি সহায়তা দেবেন তিনি।

- ছাত্র গ্রেফতার
এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশ কীর্তি শর্মা নামে এক ছাত্রকে লেকটাউনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের অভিযোগ, ওই ছাত্র আরজি কর হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে তিনটি গল্প ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন।
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য
এছাড়াও কীর্তি শর্মা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও হুমকি সম্বলিত বিষয় দুইবার শেয়ার করেছিলেন। পুলিশের দাবি, কীর্তি শর্মার পোস্টগুলি উস্কানিমূলক এবং সামাজিক অস্থিরতাকে উস্কে দেওয়ার মতো। পাশাপাশি তার পদক্ষেপ সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণার প্রচারের সঙ্গে তুলনীয়। এই ছাত্র ইন্দিরা গান্ধীর মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যা করতে অন্যদের উৎসাহিত করেছিলেন বলে অভিযোগ কলকাতা পুলিশের।
- এফআইআর দায়েরের পরে গ্রেফতার
এব্যাপারে কীর্তি শর্মার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। যা করেন কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক। তারপরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারার অধীনে এফআইআর দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। সোমবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়।
কলকাতা পুলিশ এছাড়াও সাগ্নিক সাহা নামে পলিটেকনিকের এক ছাত্রকেও আটক করেছে। তার বিরুদ্ধেও তৃণমূল সমর্থকরা অভিযোগ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
- পুলিশের নোটিশ সাংসদ-চিকিৎসকদেরও
গুজব ছড়ানো, ভুল তথ্য দেওয়া ও মহিলা চিকিৎসকের পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে কলকাতা পুলিশ তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়, প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক কুণাল সরকার-সহ দুই চিকিৎসককে সমন জারি করে। সোমবার ওই দুই চিকিৎসক লালবাজারে হাজিরা দেবেন।
- গুজব ছড়ানোর অভিযোগ
উল্লেখ করা প্রয়োজন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল গত সপ্তাহে অভিযোগ করেছিলেন, আরজি করের ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর গুজব ছড়ানো হচ্ছে। যা তদন্তকে প্রাভাবিত করছে ও আইনশৃঙ্খলায় সমস্যা তৈরি করছে।
- বিরোধীদের অভিযোগ
বিরোধীদের তরফে পাল্টা অভিযোগ করে বলা হয়েছে, সত্য ঘটনা ঢাকতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। তৃণমূল সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করছে। পুলিশ যাঁদেরকে নোটিশ পাঠিয়েছে বিরোধী দলনেতা তাঁদেরকে আইনি সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications