RG Kar Hospital-Sukhendu Sekhar Roy: মমতার পুলিশের হাতে গ্রেফতারের আশঙ্কা! হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ
RG Kar Hospital-Sukhendu Sekhar Roy: গ্রেফতারের আশঙ্কা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের। তাও আবার কিনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ প্রশাসনের হাতে। আর সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা।
আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Hospital-Sukhendu Sekhar Roy) প্রথমদিন থেকেই কার্যত 'বিদ্রোহী' মনোভাব দেখাতে দেখা যায় তাঁকে। দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে 'মহিলাদের রাত দখলে'র কর্মসূচিকে সমর্থন করেন। বসেন ধর্নাতেও।

এখানে শেষ নয়, শনিবার গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত বিস্ফোরক পোস্ট করেন সুখেন্দু শেখর রায়। যেখানে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনিত গোয়েলকে হেফাজতে নিয়ে সিবিআই'কে তদন্তের কথা বলা হয়েছে (RG Kar Hospital-Sukhendu Sekhar Roy)।
এমনকি তিনদিন পর কেন স্নিফার ডগ সেখানে পাঠানো হল তা নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ। আর এরপরেই লালবাজারের নোটিশ পান। একবার নয়, দুবার জেরা করতে চেয়ে তাঁকে নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশ দেওয়া হয় তৃণমূল সাংসদদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরেও। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, স্নিফার ডগ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জেরা করতে চেয়েই নোটিশ পাঠানো হয়।
তবে নোটিশ অনুযায়ী রবিবার লালবাজারে হাজিরা দেননি সুখেন্দু শেখর রায়। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দিল্লির এইমসে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তবে যে কোনও মুহূর্তে লালবাজার গ্রেফতার করতে পারে বলে আশঙ্কা। আর সেই শঙ্কা থেকেই আজ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল নেতা।
বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার আবেদন জানান। এই সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত শুনানি হতে পারে বলে খবর। কিন্ত শাসকদলের বর্ষীয়ান এই নেতা কেন হঠাত করে গ্রেফতারের আশঙ্কা করছেন?
তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এমনকি রাজ্যসভার সাংসদও এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট কিছু জানাননি। তবে খোদ শাসকদলের নেতার এমন আশঙ্কা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিকমহলের মতে, আরজি কর ইস্যুতে শাসকদলের অন্দরেই নানা মত তৈরি হয়েছে। তেমন ভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যাচ্ছে না।
গত কয়েকদিন আগে এই ইস্যুতে মুখ খুলে ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন। যার জেরে তৃণমূলের মুখপাত্রের পদ খোয়াতেই হয়। তবে সাংসদকে গ্রেফতার খুব একটা সহজ নয়। প্রয়োজন হয়, স্পিকারের অনুমতি।












Click it and Unblock the Notifications