বিজেপি নেতা খুনের মামলা, সিবিআই দফতরে দ্বিতীয়বার হাজিরা পরেশ পালের
সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল৷ এটা তৃণমূল বিধায়কের সিবিআই দফতরে দ্বিতীয়বার হাজিরা। বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় তাঁকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হচ্ছে। এর আগেও তিনি এই মামলায় সিবিআইয়ের ডাকে সারা দিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। এদিনও তিনি হাজিরা দিলেন সেখানে।

আগেও দিয়েছেন হাজিরা
বেলেঘাটার বিধায়ক এ দিন সকালেই সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান৷ মাস চারেক আগে ১৮ মে সিবিআই পরেশ পালকে ডেকেছিল জিজ্ঞাসাবাদ করবার জন্য। তিনি সারা দিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন সেখানে। এরপর এদিন তিনি হাজিরা দিলেন।

কী কারণে হাজিরা?
২০২১ সালের ২ মে বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল বেরিয়েছিল। এরপর অভিযোগ উঠেছিল যে নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিনই পিটিয়ে হত্যা করা হয় বেলেঘাটার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে ৷ কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায় ৷ এরপর মামলা চলে যায় সিবিআইয়ের হাতে। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় যে ভোট পরবর্তী হিংসার এবে অভিজিৎ সরকার হত্যাকাণ্ডেরও তদন্ত করবে সিবিআই৷

পরিবারের অভিযোগ কী ছিল?
নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের পরিবারের অভিযোগ ছিল যে, অভিজিৎ সরকারকে খুন হতে হয় পরেশ পালের উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্যই৷ নিহত অভিজিৎ সরকারের পরিবারের এও অভিযোগ যে তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালই পিটিয়ে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সূত্রের খবর, অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে মারতে দেখা গিয়েছিল যাদেরকে , সেই দুষ্কৃতিদের তিনি চেনেন কি না। সিবিআই গোয়েন্দারা তৃণমূল বিধায়ককে সেই প্রশ্ন করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, তদন্তকারীরা এও জানতে চাইতে পারেন যে ওই অভিযুক্ত দুষ্কৃতিদের সঙ্গে তাঁর ফোনে কোনও কথা হয়েছিল কি না। পরেশ পাল অবশ্য বারবারই এই অভিযোগ এড়িয়ে গিয়েছেন। এবারেও তিনি এই দাবি করেছেন যে তাঁর সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই।

আগেও আঙুল উঠেছিল পরেশ পালের দিকে
এর আগে ২১ অগাস্ট উত্তাল হয় নারকেলডাঙা। সেবার প্রোমোটিং সংক্রান্ত বিবাদের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছিল। কাঠগড়ায় ছিল তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল ও কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রসূতিকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও।
বিজেপির মহিলা মোর্চা ঘটনার প্রতিবাদে তীব্র বিক্ষোভ দেখিয়েছিল নারকেল ডাঙা থানার সামনে। তাঁদের দাবি ছিল যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের প্রকাশ্যে আনতে হবে। এরা কেউ টিএমসির কিনা তা জানতে চান তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলেছিল বিক্ষোভ।












Click it and Unblock the Notifications