মাসের পর মাস বন্ধ ভাতা! চরম সঙ্কটে শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকারা, কবে মিলবে বেতন? জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
বহু মাস হয়ে গাল বন্ধ ভাতা! চরম আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকারা ও সহায়ক কর্মীরা। মাসিক সাম্মানিক মাত্র ১০ হাজার টাকা। আর সে টাকাও দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। যে কারণে সংসার চালানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁদের কাছে।

শিশু শিক্ষা কেন্দ্রগুলি পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের আওতায় চললেও, দুই ক্ষেত্রেই কর্মীদের ভাতা খুবিই কম। অভিযোগ যে, রাজ্য এবং কেন্দ্রের টানাপোড়েনের কারণেই এই টাকা বন্ধ রয়েছে। রাজ্যের দাবি যে, কেন্দ্র সমস্ত শিক্ষা মিশনের বিপুল টাকা আটকে রাখার কারণেই ভাতা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে কেন্দ্র আবার, রাজ্যের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দায় এড়াচ্ছে। আর এতকিছুর মাঝেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিক্ষাকর্মীরা।
তবে, শুধুমাত্র ভাতা বন্ধই নয়, শিশু শিক্ষায় রয়েছে আরও একাধিক সমস্যা। প্রতি বছর মাত্র ৩ শতাংশ হারে সাম্মানিক বাড়ে এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের। অবসরকালীন টাকা পাওয়ার নিয়ম আছে কিন্তু পুরসভার অধীনে থাকা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তা কার্যত মেলে না। পঞ্চায়েত এলাকায় যেখানে বাৎসরিক বাড়তি অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়, সেখানে পুরসভার শিক্ষকেরা প্রায় সময়ই বঞ্চিত থাকেন।
অভিযোগ, শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে শিশুদের জন্য বিনামূল্যের জামা থেকে জুতো, বই থেকে খাতাও ঠিক সময়ে পৌঁছয় না। এর প্রভাব পড়ছে পড়ুয়াদের সংখ্যায়। অর্থাৎ অনেক অভিভাবকই এখন শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে তাঁদের সন্তানদের ভর্তি করাতে চাইছেন না।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকা আটকে রেখেছে। সেই টাকা যতক্ষন না পর্যন্ত না পাওয়া যাবে ততক্ষন পর্যন্ত শিক্ষাকর্মীদের ভাতা বাড়ানো অথবা নিয়মিত ভাতা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে রাজ্য জুড়ে।












Click it and Unblock the Notifications