অনুব্রত মণ্ডলের পাশে মমতা! বিজেপি-সিপিএম-কংগ্রেসকে নিশানায় জেল ভরো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
বেহালায় প্রাক স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন। তিনি অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি নিয়েও প্রশ্ন তুল
বেহালায় প্রাক স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন। তিনি অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। পাশাপাশি তিনি সভা থেকে সংবাদ মাধ্যম এবং বিজেপি-কংগ্রেস এবং সিপিএমকে নিশানা করেছেন।

কেন বেহালার অনুষ্ঠানে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হর ঘর তিরঙ্গার স্লোগানকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, একবার ঝান্ডার কথা বলে তিনবার ডান্ডার কথা বলে। এদিন বেহালার অনুষ্ঠানে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, না এলে বলবে, একজন জেলে আছে তাই এল না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন,আইন আইনের পথে আছে। কেঁচো খুঁড়তে গোখরো বেরিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ব্যাংক তো লুঠ হয়ে গেল। কোন ইডি-সিবিআই হলো? তবে তিনি এব্যাপারে কাউকে সমর্থন না করার কথাই বলেছেন।তিনি প্রশ্ন করেন, বাক স্বাধীনতা, আর্থিক স্বাধীনতা কি আমাদের আছে?

কেন কেষ্টকে গ্রেফতার?
মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রশ্ন করেন, ১২ অগাস্ট কেন কেষ্টকে (অনুব্রত) গ্রেফতার করা হল? তাঁর প্রশ্ন কী করেছিল কেষ্ট। প্রতিটা নির্বাচনেই তাঁকে ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কষ্ট পয়েছে কেষ্ট।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অপারেশনের দিনেও কেষ্টর স্ত্রী দলের কাজ করতে বলেছিল। তিনি নিজে সাংসদ, বিধায়ক হতে বললেও হয়নি সে।

সূত্র কি মলমূত্র
সংবাদ মাধ্যম তৃণমূলের বদনাম করছে অভিযোগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বলা হয় সূত্র মারফত খবর পাওয়া গিয়েছে। তিনি এর কটাক্ষ করে বলেন সূত্র কি মলমূত্র। তিনি বলেন, ২০২৪-এর নরেন্দ্র মোদী জিতবে না।
সেই কারণে খেলা শুরু করা হয়েছে। বিহার, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, রাজস্থানের সরকার ভাঙার খেলায় নেমেছে বিজেপি। আর বাংলায় দুর্বল করতে হবে তৃণমূলকে। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ডে সরকার ভাঙতে ১০ কাটি করে দেওয়া হচ্ছিল। তা হাতে নাতে ধরেছে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ।

বাম-কংগ্রেসকে নিশানা
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে বলেছিল, বদলা চাই না বদল চাই। সারদা কেস তো সব সিপিএম আমলের। এসব ফাইল পুড়িয়ে দিয়েছে। এখন যদি ফাইল খুলি? কী কূজন বাবু? মিস্টার চৌধুরী? কত টাকা কত খুন কত গরু কত কয়লা। গায়ে কত ময়লা।
কেন বাম-কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে সিবিআই হয় না সেই প্রশ্ন করেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি-সিপিএম-কংগ্রেস ভাই ভাই। বাংলায় এদের ঠাই নাই। দেশে এদের ঠাই নাই।

সংবাদ মাধ্যমকে নিশানা
মুখ্যমন্ত্রী এদিন নাম করে টিভি নিউজ চ্যানেলগুলিকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতি সকালে দিল্লি থেকে ফোন করে সেদিনে অ্যাজেন্ডা ঠিক করে দেওয়া হয়। তারপরেই নেমে পরে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলি।
তিনি বলেন, টার্গেট হল, ববিকে অ্যারেস্ট কর, অরূপকে কর, মালাকে করো, অভিষেককে করো। কবে করবে বল, সব কর্মীকে নিয়ে তিনি জেল ভরো আন্দোলন করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications