'যেদিন সম্ভব হবে, শাহজাহান গ্রেফতার হবে', বলে মুখে কুলুপ আঁটলেন চন্দ্রিমা
শেখ শাহজাহানকে নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল এই বিষয়ে কোনও মুখ খুলছে না। এদিন শেখ শাহাজানের বিষয়ে চন্দ্রিমা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। যেদিন সম্ভব হবে গ্রেফতার হবে। এই বিষয়ে বিরোধীরা কে কী বলল, তার উত্তর দেব না।
শেখ শাহজাহানকে নিয়ে তৃণমূল কোনও কথা বলছে না। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপি ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকারের উপর। এদিন মন্ত্রী এই ইস্যুতে একটা কথাও বলতে চাননি।

মহিষাদলে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের এক সভায় এসেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী। তাঁকে সাংবাদিকরা সন্দেশখালি ও শেখ শাহজাহানের বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। এই বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না। পরিষ্কার এই কথাই বলেন মন্ত্রী।
শেখ শাহজাহান অনুগামীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন সেই দিন সকালে। সন্দেশখালির ওই তৃণমূল নেতা বাড়িতেই ছিলেন। এমনই দাবি করেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেই বিষয়েও মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বিচারাধীন বিষয় বলে কথা বলতে চাননি।
মহিলাদের বোকা বানাচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য৷ লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি এইসব প্রচার করছে। এমনই দাবি করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে তমলুক সাংগঠনিক জেলার মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের এক সভায় আসেন রাজ্যের মন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন চন্দ্রিমা। সেখানে এমনই মন্তব্য করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
লোকসভা ভোট সামনেই। সেই ভোটকে সামনে রেখে কেন্দ্রের মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ। মহিলাদের কাছে ভাওতাবাজি শুধু। এমনই কটাক্ষ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর। ফাঁকা সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ করানো হয়েছে। মহিলাদের বোকা বানানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট লক্ষ বিজেপির। আগামী ২০২৯ সালে তো হবেই না। ২০৩৪ সালেও এই বিলের বাস্তবায়ন হবে কী না, তাই নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
উল্লেখ্য, মহিলা বিলের পক্ষে আলোচনা হয়েছিল লোকসভা ভবনে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা সেই আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের সামনে এগিয়ে রাখার কথা বলেন। মহিলাদের জন্য আসন বরাবর তৃণমূল কংগ্রেসে ছাড়া থাকে। এই বিষয় বাংলায় অনেক আগেই চালু হয়েছে। এমনই বক্তব্য তৃণমূল সাংসদদের থেকে পাওয়া গিয়েছিল।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক সাংগঠনিক জেলা মহিলা কমিটির উদ্যোগে মহিষাদল প্রঞ্জানানন্দ স্মৃতি ভবনে আয়োজন করা হয় এই সংঘবদ্ধ শপথ'। সেই কর্মসূচিতে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি, তমলুকের বিধায়ক সৌমেন কুমার মহাপাত্র, মহিষাদলের বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী, নন্দকুমারের বিধায়ক সুকুমার দে সহ অন্যান্যরা।












Click it and Unblock the Notifications