RG Kar Incident: মমতার পরিকল্পনাতেই আরজি করে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর
RG Kar Incident: আরজি কর হাসপাতালে মধ্যরাতের হামলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পরিকল্পিত। চাঞ্চল্যকর দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
এদিনের রাতের ঘটনায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও সিবিআইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন শুভেন্দু। আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি বিরোধী দলনেতার।

শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কাছে অরাজনৈতিক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে চালাক বলে মনে করেন। তিনি ভেবেছেন, জনতার মাঝে দুষ্কৃতীদের প্রতিবাদী সেজে মিশে যাওয়ার বিষয়টি কেউ ধরতে পারবেন না!
শুভেন্দুর অভিযোগ, ওই দুষ্কতীরাই হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর চালিয়েছে। তাদের সেফ প্যাসেজ করে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার রাস্তাও দেখিয়েছে পুলিশ। এটা করতে গিয়ে পুলিশ নিজেরাই সরে গিয়েছিল, কিংবা অন্য দিকে তাকিয়ে ছিলেন পুলিশকর্মীরা যাতে লুম্পেনরা হাসপাতালে ঢুকে হামলা চালিয়ে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করে দিতে পারে।
Mamata Banerjee has sent her TMC goons to the apolitical Protest Rally near RG Kar Medical College and Hospital.
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) August 14, 2024
She thinks that she is the most shrewd person in the whole world and people won't be able to figure out the cunning plan that her goons appearing as protestors would… pic.twitter.com/1CPI2f1KUr
উল্লেখ্য, যে সেমিনার হলে চিকিৎসকের দেহ মিলেছিল তার কাছেই সংস্কারকাজ শুরু করে দেওয়াল ভাঙা হচ্ছিল কলকাতা হাইকোর্ট এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে দিতেই। আন্দোলনকারীদের চাপে সেই কাজ বন্ধ রাখা হলেও। যদিও আজ জরুরি বিভাগে হামলায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাতে সিবিআই না পেতে পারে, সে কারণেই হামলা চালানো হলো বলে মনে করছেন শুভেন্দু।
শুভেন্দু আরও লিখেছেন, তৃণমূলের নির্বোধ দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা সফলভাবে রূপায়ণ করতে পারেনি। সে কারণে তারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করে রেসিডেন্ট ডাক্তার, পিজিটি ও ইনটার্নদের ধরনা মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে। যদি কেউ প্রতিবাদকে সমর্থন করতেই আসবেন, তাহলে মূল ঘটনার কেন্দ্রস্থলে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালাবেন?
শুভেন্দুর প্রশ্ন, যেখানে গোটা রাজ্যে প্রতিবাদ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে সেখানে আরজি করেই কেন হিংসাত্মক ঘটনা ঘটল? গোটা ঘটনায় রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের এই চেষ্টার প্রতি সিবিআইয়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শুভেন্দু। সবমিলিয়ে এই ঘটনা গোটা তদন্ত প্রক্রিয়াকে কোন খাতে নিয়ে যায় সেটাই দেখার।
এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় দুই ঘণ্টা লাগে পুলিশের। বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে সামিল হতে আসা কয়েকজনকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ। শ্যামবাজারে ব্যারিকেড দিয়ে আরজি করের দিকে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications