RG Kar Hospital: প্রকৃত দোষী কি ধরা পড়েছে? আরজি করের চেস্ট মেডিসিনের প্রধানের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু সেকি একাই এই কাজ করেছে এই নিয়ে গতকাল থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একাধিক তথ্য প্রমাণ ইঙ্গিত দিচ্ছে এই ঘটনায় কোনও একজনের হাত নেই। তাহলে কি ধর্ষণ না গণধর্ষণ কী হয়েছে? পুলিশ কি কোনও কিছু ধামা চাপা দিতে চাইছে। এই নিয়ে তুমুল শোরগোল তৈরি হয়েছে।
চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান কিন্তু চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন। একটি ভিডিও দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে তিনি যে ইঙ্গিত করেছেন সেটা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। চেস্ট মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরী দাবি করেন, সঞ্জীব রায় প্রকত অপরাধী কিনা। আসল খুনি কি গ্রেফতার হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বিভাগীয় প্রধানের এই মন্তব্যে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাহলে কি কোনও প্রভাবশালী জড়িত রয়েছে এই ঘটনায়। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। তাহলে কি গণধর্ষণ হয়েছিল নির্যাতিতা চিকিৎসকের সঙ্গে। তিনি অভিযোগ করেছেন যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেকি একাই দোষী না কি তাকে গ্রেফতার করে প্রকৃত দোষীকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সত্যি যদি সেটা হয়ে থাকে তাহলে সেটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধানকে মঙ্গলবার লালবাজারে তলব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে চিকিৎসক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে তিনি চেস্ট মেডিসিনেরই ডাক্তার ছিলেন। সেকারণে তাঁকে জেরা করতে চাইছে পুলিশ। গতকালও হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক এবং স্টাফকে তলব করে জেরা করা হয়ছে লাল বাজারে। মঙ্গলবার আরও ৪ জন চিকিৎসককে তলব করা হয়েছে। এবং নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীকে তলব করেছে লাল বাজার।
জানা গিয়েছেন এক নাম করা রেডিও জকিকেও তলব করেছে লালবাজার। ঘটনা নিয়ে তিনি একটি ফেসবুক পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্টে যেসব কথা তিনি লিখেছেন তার তথ্য তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন তা জানতেই সেই রেডিও জকিকে তলব করা হয়েছে। সঞ্জীব রায়কে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হলেও একক ভাবে সে এই কাজ করতে পারে না তার ইঙ্গিত মিলেছে ময়না তদন্তের রিপোর্টে।
তারপরে আবার চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধানের এই মন্তব্যের পরে সই সন্দেহ আরও গাঢ় হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন প্রকৃত দোষী কি এখনও গ্রেফতার হয়েছে। তাহলে কি সঞ্জীব রায়ের পরিণতি সেই ধনঞ্জয়ের মতো করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্থাৎ সে দোষী না হলেও বা আংশিক ভাবে দোষী হলেও তাঁকে ধরিয়ে দিয়ে আসল দোষীকে আড়াল করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications