RG Kar Case: আরজি করে দুর্নীতি মামলায় ইডির উপর ‘বিরক্ত’ হাইকোর্ট, মুখবন্ধ খামে রিপোর্টে কী জানাল CBI?
RG Kar Case: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে একাধিক দুর্নীতিও (Corruption)। দুর্নীতির আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছিল আরজি কর। সিবিআইয়ের (CBI) পর আরজি করে দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করে ইডিও (Enforcement Directorate)। এদিন ইডির ভূমিকায় বিরক্তি প্রকাশ করল হাইকোর্ট।
আরজি করে দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, ইডি চার্জশিটও দেয় না, আর বিচারপ্রক্রিয়াও শুরু করে না। প্রসঙ্গত, আরজি করের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা না দেওয়ায় ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মন্ডল।

আর এবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের ডেপুটি সুপার তথা আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির মামলায় ইডির উপর বিরক্তি প্রকাশ বিচারপতি ঘোষের। আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় এক সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতকে বিচারপর্ব শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
নিম্ন আদালতকে দ্রুত সম্ভব বিচার শেষ করতে হবে বলে এদিন নির্দেশ বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। উল্লেখ্য, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি।
গত ২৩ অগাস্ট সেই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। ২৯ নভেম্বর আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। আগামী ৩০ জানুয়ারি আলিপুরে পরবর্তী শুনানি রয়েছে। এদিকে, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সিবিআই তদন্তের শেষ পর্যায়ে ইডি ECIR দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে, হাইকোর্টে এদিন জানান ইডির আইনজীবী।
অ্যাডিশনাল এসজি জানান সুপ্রিম কোর্টে আরজি করের খুন ধর্ষণ মামলার সঙ্গেই এই দুর্নীতির মামলা চলছে। এদিন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মুখ বন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ২২ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। এদিকে অভিযুক্ত সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর জন্য সিবিআই সোমবারই অনুমতি পেয়েছে।
এদিকে এদিন মুখবন্ধ খামে যে রিপোর্ট সিবিআইয়ের তরফে দেওয়া হয়েছে, তাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৩ ভেন্ডরের কাছ থেকে বরাত পিছু ৮ থেকে ১০ শতাংশ কাটমানি নিতেন সন্দীপ ঘোষ।
আরজি করে ৭০ শতাংশেরও বেশি বরাত পেতেন সন্দীপ ঘনিষ্ঠ বিপ্লব সিং ও সুমন হাজরা। অযোগ্য হাউসস্টাফকে নম্বরে গরমিল করে নিয়োগ করেছিলেন আশিস পাণ্ডে। কয়েকজন হাউসস্টাফের থেকে মাসিক টাকাও আদায় করতেন আশিস।












Click it and Unblock the Notifications