মদন কালারফুল ছেলে, কীভাবে ভবানীপুরে ভোট প্রচার সামলাতে হবে বুঝিয়ে দিলেন মমতা
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ফের ভোট বাদ্যি বেজে গিয়েছে। বাংলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে ফের ভোট। মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র ছাড়াও ভোট ভবানীপুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুরের দিকেই এখন সবার চোখ।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ফের ভোট বাদ্যি বেজে গিয়েছে। বাংলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে ফের ভোট। মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র ছাড়াও ভোট ভবানীপুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুরের দিকেই এখন সবার চোখ। আর এই ভবানীপুরের প্রচার শুরু করে দলের জনপ্রিয় নেতা মদন মিত্র কতকগুলি টিপস দিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দলের সুপ্রিমো ভবানীপুরে প্রার্থী, নেতা-মন্ত্রীরা ময়দানে
দলের সুপ্রিমো ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন। স্বভাবতই দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ। ভবানীপুরে ভোট ঘোষণা হতেই সেই আঁচ পাওয়া গিয়েছিল। রাতের মধ্যে এলাকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ব্যানার, পোস্টার, হোর্ডিং দেওয়াল লিখন হয়ে গিয়েছিল। তারপর নেতা-মন্ত্রীরা নেমে দেওয়াল লিখতে শুরু করেছিলেন পরদিন থেকেই।

মদনকে দেওয়াল লিখতে দেখেই দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন মমতা
ভবানীপুরে ভোট আর মদন মিত্র থাকবেন না, সেটা হয় নাকি! ভোট ঘোষণার পরদিনই মদন মিত্র হাজির হয়েছিলেন কর্মীদের সঙ্গে প্রচারে। নিজে হাতে দেওয়াল লিখছিলেন। তখনই হঠাৎ হাজির স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডি এল খান রোডে মদনকে দেওয়াল লিখতে দেখেই দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন মমতা। বলে গিয়েছিলেন সাবধানে কাজ করো।

মদন কালারফুল ছেলে, মাঝে মাঝে বেশি কালারফুল হয়ে যায়
এরপর এদিন অহীন্দ্র মঞ্চের কর্মিসভায় সকলকে দায়িত্ব বণ্টন করে দিচ্ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মদন মিত্রের উপরও দায়িত্ব বর্তাল। আর মদনকে দেখেই মমতা বললেন, মদন কালারফুল ছেলে। মাঝে মাঝে বেশি কালারফুল হয়ে যায়। বেশি কালারফুল হলে আবার অসুবিধা হয়ে যায়। তাই টিপস দিলেন মমতা।

সেদিন যেমন পোশাকে ছিলেন, তেমনই থেকো
মমতা বলেন, সেদিন যেমন পোশাকে ছিলেন, তেমনই থেকো। বেশি কালারফুল হোয়ো না। সেদিনের পোশাকটা খুব ভালো। সম্প্রতি মদন মিত্র কালারফুল পোশাকে গানে গানেই তাঁর বক্তব্য পেশ করছেন। সদা কণ্ঠে গান, মুখে হাসি, সঙ্গে রংবেরঙের পোশাক। যে আসরেই যাচ্ছেন আসর মাতিয়ে দিচ্ছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে সাবধানে কাজ কোরো
ভবানীপুর উপনির্বাচনে নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই প্রচারে নেমে পড়েছিলেন মদন মিত্ররা। শনিবার উপনির্বাচন ঘোষণা হয়েছে, রবিবার সকাল থেকেই ময়দানে মদন মিত্র। মদন মিত্র দেওয়াল লিখছেন। তা দেখে গাড়ি থামিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মীদের উৎসাহ দেন তিনি। মদনকে বললেন, করোনা পরিস্থিতিতে সাবধানে কাজ কোরো।

সাদা পাঞ্জাবি-ধুতি পরে রং-তুলি হাতে মদন মনপসন্দ
মদন মিত্র তখন সাদা পাঞ্জাবি-ধুতি পরে রং-তুলি হাতে দেওয়াল লিখছিলেন। আর মমতা ফিরছিলেন যুবভারতী থেক। সেখানে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন সেরে ফেরার মদনকে দেওয়াল লিখতে দেখে গাড়ি থামিয়ে দেম। হাত নেড়ে তিনি উৎসাহ দেন। বলেন, এত দুপুরে কী করছে, সাবধানে কাজ করো।












Click it and Unblock the Notifications