জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা তদন্তে বিধানসভায় লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখা
বিধানসভায় এবার পুলিশি তদন্ত। গুণ্ডাদমন শাখার অফিসাররা বিধানসভায় এলেন। শনিবার দুপুরে তারা পরিদর্শন করলেন। রাজ্য বিধানসভায় রীতিমতো যুযুধান দুই পক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি। জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করেছে বিজেপি। সেই অভিযোগও উঠেছে ইতিমধ্যেই।
রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দুই দফায় হেস্টিং থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিজেপি বিধায়কদের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই ঘটনার তদন্তেই এবার গুণ্ডাদমন শাখার দুই অফিসার বিধানসভায় আসেন। প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে ওই ঘটনায়।

দুই অফিসার বিধানসভার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। ছবি ও ভিডিওগ্রাফিও করা হয়েছে বলে খবর। এই নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বিজেপির তরফ থেকে নিন্দা শুরু হয়েছে। বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের পক্ষ থেকে ক্ষোভপ্রকাশ করা হয়েছে।
বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ উষ্মাপ্রকাশ করে বলেছেন, রাজ্য সরকার পুলিশের হাতে সব কিছু আগেই তুলে দিয়েছে। পুলিশ অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা যাতে সারা রাজ্যজুড়ে তাদের কাজকর্ম তুলে দিতে পারে। আগামী দিনে হতেই পারে, বিধায়কদের আসনে পুলিশকে বসতে দেওয়া হতে পারে। বিধানসভার স্পিকার যদি মনে করেন পুলিশ রেখে তৃণমূল বিধায়করা সুখে থাকবেন। তাহলে ঠিক আছে৷
গত বুধবার অমিত শাহের সভা ছিল কলকাতায়। ওই দিন তৃণমূলও বিধানসভায় ধর্না কর্মসূচি রেখেছিল। এরপর তৃণমূল - বিজেপির বিধায়কদের স্লোগান পালটা স্লোগান দেখে গোটা রাজ্য। ওই দিনই তৃণমূল অভিযোগ করেন, বিজেপি বিধায়করা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করেছেন। যদিও এই অভিযোগ মানতে চাইছেন না বিজেপি। তৃণমূল মিথ্যা অভিযোগ আনছে বলে বিজেপির দাবি।
বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই মামলায় তিন বিধায়ককে লালবাজারে তলব করা হয়েছে। মোট পাঁচ জন বিজেপি বিধায়ককে লালবাজারে ডাকা হয়েছে বলে শেষ পাওয়া খবর। আগামী মঙ্গলবার তাদের ডাকা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা কি লালবাজারে যাবেন? তাই নিয়েও প্রশ্ন আছে।
সোমবারই বিজেপির তরফ থেকে এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়া হচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই এই কথা জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications