RG Kar Hospital: ধর্ষণ না গণধর্ষণ ! ধন্ধ বাড়ছে? আরজি করের ৭ জনকে তলব লাল বাজারের
আর জি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকদে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় একের পর এক রহস্য প্রকাশ্যে আসছে। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে যে তথ্য প্রকাশ্যে আসছে তাতে নির্যাতিতার শরীরের একাধিক অংশের হার ভেঙে গিয়েছে।
যেসব ক্ষত দেখা গিয়েছে তাতে গণধর্ষণের ইঙ্গিত প্রকট হচ্ছে। মদ্যপ অবস্থায় কোনও ব্যক্তি এটা করতে পারে না বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার দিন সিসিটিভি ফুটেজে সেদিন রাত ২টোর পরে সেমিনাল হলে সঞ্জয় রায়কে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল। তার গলায় যে ইয়ারফোন ছিল সেটি মৃতার দেহের পাশ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেটা দেখেই সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে পুলিশি জেরায় নাকি সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে নিয়েছে।

কিন্তু তারপরেও ধন্ধ কাটছে না পুলিশের। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করেছে লালবাজার। তাঁরা একাধিক খতিয়ে দেখেছে। সন্দেহ বাড়াচ্ছে নির্যাতিতার শরীরের আঘাত। যেসব জায়গায় মারাত্মক আঘাত লেগেছে নির্যাতিতার সেটা একজন মদ্যপ ব্যক্তির পক্ষে করা সম্ভব নয় বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তাহলে কি এই ঘটনার সঙ্গে হাসপাতালেরই আরও অনেকে জড়িত রয়েছে তা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
ঘটনার দিন নির্যাতিতা চিকিৎসক যে সেমিনার হলেই রয়েছেন সেটা অভিযুক্ত জানল কি করে প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও। এবং নিরাপত্তা রক্ষী থাকার পরেও কীভাবে অভিযুক্ত একজন বহিরাগত হিসেবে চিকিৎসকদের সেমিনার রুমে প্রবেশ করল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার দিন যাঁদের সঙ্গে রাতের ডিনার সেরেছিলেন নির্যাতিতা তাঁদের তলব করা হয়েছে লালবাজারে। সেই সঙ্গে হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও তলব করা হয়েছে।
চাপে পড়ে ঘটনার তিন দিন পরে হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। পদত্যাগের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ করা হয়েছে। কীসের ভিত্তিতে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্ম্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকী চেস্ট মেডিসিন বিভাগের এইচওডিকেও তলব করেছে লালবাজার। নির্যাতিতার পরিবারকে প্রথম ফোন করে যে চিকিৎসক আত্মহত্যা বলে জানিয়েছিলেন তাঁকেও তলব করেছে লাল বাজার।












Click it and Unblock the Notifications