• search

তরুণীর শ্লীলতাহানির দৃশ্য চাক্ষুষ করল মল ভ্রমণকারীরা, অমানবিকতার নজিরে হতবাক পুলিশও

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    তরুণীর শ্লীলতাহানির দৃশ্য চাক্ষুষ করল মল ভ্রমণকারীরা, অমানবিকতার নজিরে হতবাক পুলিশও
    কলকাতা, ২১ জুলাই: সল্ট লেক সিটি সেন্টারে একটি নামি বস্ত্র বিপণনের সেলসগার্ল। রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কয়েতজন যুবকের হাতে চরম হেনস্থা হলেন ওই তরুণী। বেদম মারধরও করা হল তাঁকে। অপরাধ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিয়ের প্রস্তাবে না করে দিয়েছিলেন ওই তরুণী। আর নারী নির্যাতনের সেই অমানবিক দৃশ্য দাঁড়িয়ে দেখলেন শয়ে শয়ে মানুষ। কোনও প্রতিবাদ হল না। বাধা দেওয়া তো দূরস্ত মেয়েটিকে বাঁচাতে পুলিশকে কেউ খবর দেওয়ার মানবিকতাটুকুও দেখালেন না। পরে অবশ্য পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছয়।

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত পীড়িতার পূর্ব পরিচিত। সল্টলেক থানায় শ্লীলতাহানি এবং মারধরের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি গা ঢাকা দিয়েছে। ওই যুবক লেক টাউনের বাসিন্দা। কিন্তু এই ঘটনা ঘটার সময়ে সল্ট লেক সেন্টার ছিল জাকজমকপূর্ণ। মলের দোকানের মালিক-কর্মীরা, যারা মলে ঘুরতে এসেছিলেন সবাই চোখের সামনে এই ধরণের ঘটনা ঘটতে দেখেও কীভাবে নির্বাক রইলেন এতগুলি মানুষ। তাতে রীতিমতো চমকেছেন পুলিশও।

    বিধাননগর কমিশনারট জানাচ্ছে, অভিষুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় ছিল। ৩ বছর আগে তাদের প্রথম আলাপ হয় তারপর বন্ধুত্ব। কিন্তু বিবাহ প্রস্তাব দেওয়ার পর থেকেই ওই যুবকের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন তরুণী। শুক্রবার রাতে কাজ শেষ করে সিটি সেন্টার থেকে বেরনোর সময় ওই যুবক সামনে আসে তার। আবারও বিয়ের প্রস্তাব দেয় সে। তরুণী আবারও মানা করে দেওযায় তাংর হাত ধরে টানতে থাকে যুবক। মেয়েটি কোনওভাবে পালিয়ে যায়। তারপর আবার মেয়েটিকে ধরে ২ বার চড় থাপ্পড় মারে ওই যুবক। শেষে মেয়েটির মুখে ঘুষিও চালায় সে। কিন্তু এসব দেখেও কেউ পুলিশকে না জানানোয় বিস্মিত পুলিশ। তদন্তকারী এক অফিসারের কথায় কয়েক মিটারের মধ্যেই থানা, অথচ তবু কেউ পুলিশকে কেন খবর দিল না মাথায় আসছে না।

    English summary
    Hundreds of mall goers watch as salesgirl molested, beaten,shoked cops

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more